বাংলা হান্ট ডেস্কঃ একাধিক দুর্নীতি ইস্যু নিয়ে শোরগোল রাজ্যে। নিয়োগ দুর্নীতি, রেশন দুর্নীতি, কয়লা দুর্নীতি সহ একাধিক মামলার তদন্ত চলছে। আদালতে জমা পড়েছে বহু অভিযোগ। এই আবহে এবার বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ে (Bardhaman University) আর্থিক প্রতারণা মামলা উঠল কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট ওরফে ইডির (ED) কাছে রিপোর্ট তলব করেছে হাইকোর্ট।
কী অভিযোগ? বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন রেজিস্ট্রারের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের যোগসাজশে সেখানে কমপক্ষে ২ কোটি ২০ লক্ষ টাকার দুর্নীতি হয়েছে। জড়িত রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান রেজিস্ট্রার এবং ফিনান্স অফিসার। এই নিয়েই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন প্রাক্তন রেজিস্ট্রার। বৃহস্পতিবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে এই মামলার শুনানি ছিল।
সূত্রের খবর ইতিমধ্যেই এই অভিযোগের তদন্ত করছে সিআইডি। মামলার শুনানিতে CID আদালতে জানায়, দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি একজন পলাতক। তাঁর খোজ চালানো হচ্ছে। কিছু পরিমাণ টাকাও উদ্ধার করা গিয়েছে। এই মামলায় ইডির কাছেও অভিযোগ জমা পড়েছে।
যে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কে বিশ্ববিদ্যালয়ের গচ্ছিত অর্থ তছরুপের অভিযোগ উঠেছে ওই ব্যাঙ্ক গুলি আইন অনুযায়ী বিষয়টি ইডিকে জানিয়েছে কি না, এই নিয়ে আদালতমে রিপোর্ট আকারে জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি সিনহা।
আরও পড়ুন: পকেটে আসবে বাড়তি টাকা! রাজ্য সরকারি কর্মীদের জন্য নয়া বিজ্ঞপ্তি জারি করল অর্থ দফতর
বিচারপতির আরও নির্দেশ, এই ঘটনায় সিআইডি কে দ্রুততার সঙ্গে তদন্ত করতে হবে। তদন্তের প্রয়োজনে যেকোনও ব্যক্তিকে জেরা করতে পারবে তারা। দরকার হলে রাজ্যের আর্থিক দুর্নীতি দমন শাখার সাহায্য নিতে পারবে সিআইডি। ইডির পাশাপাশি তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে সিআইডিকেও হাইকোর্টে রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১৬ জুলাই।