বাংলা হান্ট ডেস্কঃ আরজি কর হাসপাতালে চিকিৎসক ধর্ষণ খুনের ঘটনায় যখন উত্তাল রাজ্য, সেই সময় শিরোনামে উঠে আসে পটাশপুরে গৃহবধূকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ। গত ৬ অক্টোবর এই ঘটনার পর অভিযুক্তকে গণধোলাই দেন এলাকাবাসী। তাতে মৃত্যু হয় অভিযুক্ত ব্যক্তির। ইতিমধ্যেই এই ঘটনার জল গড়িয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) অবধি। এবার এই মামলাতেই বড় নির্দেশ দিল আদালত।
পটাশপুর মামলায় কী নির্দেশ দিল হাইকোর্ট (Calcutta High Court)?
পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরে (Patashpur Case) এক গৃহবধূকে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ ওঠে প্রতিবেশী এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ধর্ষণের পর কীটনাশক খাইয়ে ওই গৃহবধূকে খুন করা হয় বলে অভিযোগ। এবার এই মামলায় নির্যাতিতার দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার বিচারপতি শম্পা দত্ত পাল এই মামলায় দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন। আগামী ২ নভেম্বরের মধ্যে সংরক্ষিত দেহের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত করার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। সেই সঙ্গেই ভিডিওগ্রাফির নির্দেশও দেয় আদালত। আগামী ২৮ নভেম্বরের মধ্যে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন জাস্টিস শম্পা দত্ত পাল। ডিসেম্বর মাসে মামলার পরবর্তী শুনানি।
আরও পড়ুনঃ ইউসুফদের বিজয়া সম্মেলনীতে নেই! নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নাম জড়িয়ে পুড়ল কপাল? জীবনকৃষ্ণ বললেন…
গত অক্টোবর মাসে গৃহবধূ ধর্ষণ-খুনের অভিযোগে তেতে ওঠে পটাশপুর (Patashpur) এলাকা। স্থানীয় বাসিন্দাদের কথায়, নির্যাতিতার স্বামী কাজের সূত্রে বাইরে থাকেন। দীর্ঘদিন ধরেই ওই গৃহবধূর ওপর অভিযুক্তের ‘কুনজর’ ছিল। এর আগেও তাঁকে একাধিকবার ‘খারাপ প্রস্তাব’ দিয়েছেন বলে অভিযোগ। ওই গৃহবধূ তাঁকে সতর্ক করলেও কাজ দেয়নি। অভিযোগ, ঘটনার দিন বাড়িতে ঢুকে ধর্ষণের পর নির্যাতিতাকে কীটনাশক খাইয়ে দেয় অভিযুক্ত ব্যক্তি।
এদিকে এই ঘটনায় নির্যাতিতার ময়নাতদন্তে সন্তুষ্ট নয় পরিবার। তাঁদের কথায়, পোস্টমর্টেম রিপোর্টে কীটনাশক খাইয়ে খুনের উল্লেখ থাকলেও ধর্ষণের কোনও উল্লেখ নেই। এরপর দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের আর্জি জানিয়ে হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয় প্রয়াত গৃহবধূর পরিবার। এবার এই মামলাতেই আগামী ২ নভেম্বরের মধ্যে সংরক্ষিত দেহের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিল উচ্চ আদালত।