চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে আর কতদূরে? চন্দ্রযান-৩ নিয়ে সুখবর শোনাল ISRO, বড় পরীক্ষা আজ রাতেই

বাংলা হান্ট ডেস্ক : কয়েকদিন আগেই চন্দ্রযান ৩-এর (Chandrayaan-3) প্রোপালশান মডিউল থেকে আলাদা হয়েছে ল্যান্ডার বিক্রম। আর এই আলাদা হওয়া ছিল স্বস্তির, খুশির ও গর্বের। বিচ্ছেদের পরবর্তী পরীক্ষাটিও সগৌরবে পাশ করে গেছে এটি। এরপর গত শুক্রবার বিক্রমের গতি কমানো হয়েছে। ইসরো জানিয়েছে, বিক্রম এখন ভালো আছে। স্বাভাবিক ছন্দে নিজের কাজও করে চলেছে সে।

   

উল্লেখ্য, ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন (ISRO) এর দেওয়া তথ্য অনুসারে বিক্রম ল্যান্ডারের দ্বিতীয় ডিবুস্টিং 20 আগস্ট নির্ধারিত হয়েছে। অর্থাৎ ভারতীয় সময়ে আজ মধ্যরাত্রিতে অর্থাৎ রাত ২ টোর সময় আরও একবার বিক্রমের গতি কমানো হবে। তারপর চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরত্বে থাকা অবস্থায় পাখি পালকের মত নিচের দিকে নামতে থাকবে এটি।

জানা যাচ্ছে, এই গোটা ঘটনাটি ঘটতে সময় লাগবে মাত্র ২০ মিনিট। তারমধ্যেই চাঁদের মাটি ছোঁবে ল্যান্ডারটি। বিক্রম যেইনা চাদের মাটি ছোঁবে অমনি খুলে যাবে তার দরজা। ভেতর থেকে বেরিয়ে আসবে প্রজ্ঞান। এরপর বাকি কাজ ছোট্ট প্রজ্ঞানের। চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কোথায় কী রয়েছে তার খুঁটিনাটি সবকিছু খুঁজে বার করবে সে। সমস্ত তথ্য পাঠাবে ইসরোর কাছে।

আরও পড়ুন : ভেঙে গুঁড়িয়ে দিতে হবে … ফের বুলডোজার চালানোর নির্দেশ বিচারপতি গাঙ্গুলির! এবার কোথায়?

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত ১ অগস্টেই চাঁদের বলয়ে (স্ফিয়ার অফ ইনফ্লুয়েন্স) প্রবেশ করেছিল চন্দ্রযান ৩। এরপর চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করে ৫ অগাস্ট। চাঁদের চারপাশে ঘুরতে ঘুরতে আরও কাছে পৌঁছে যায় চন্দ্রযান। এরপর গত বৃহস্পতিবার প্রোপালশান মডিউল থেকে আলাদা হয় ল্যান্ডার বিক্রম। শুক্রবার ডিবুস্টিং এর মাধ্যমে গতি কমিয়ে আনা হয়। বর্তমানে এই ল্যান্ডার মডিউল ১১৩ কিমি X ১৫৭ কিমি উচ্চতায় চাঁদকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে।

আরও পড়ুন : মাত্র ৮ মাসেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে স্টার জলসার এই জনপ্রিয় সিরিয়াল! অন্তিম পর্ব কবে? মুখ খুললেন নায়িকা

1600x960 2063333 chandrayaan 3

এই অভিযান প্রসঙ্গে নাসার মঙ্গল রোভার মিশনের সদস্য ড. অমিতাভ ঘোষ বলেন, “এই বিষয়টি উল্লেখযোগ্য কারণ এটি একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ ছিল। চাঁদের পৃষ্ঠে নরম অবতরণ খুবই কঠিন একটি বিষয়। বেশ চ্যালেঞ্জের কাজ। মঙ্গল মিশনের সময় আমরা একটি ‘৭ মিনিটের আতঙ্ক’ বলেছিলাম।” তাঁর সংযোজন, “উচ্চ গতিবেগ থেকে একেবারে কম গতিবেগে নামানোর পর্যায়টি খুবই কঠিন। লক্ষ্য রাখতে হয় যাতে মহাকাশযানটির ভিতরের যন্ত্রপাতিগুলিও ঠিক থাকে। বেশ কিছু প্যারামিটার রয়েছে যেগুলির উপর আমাদের নিয়ন্ত্রণ নেই। সেগুলি স্বনিয়ন্ত্রিত।”