বাংলাহান্ট ডেস্ক : ChatGPT-র ‘স্টুডিয়ো জিবলি’ নিয়ে মগ্ন আট থেকে আশি সবাই। OpenAI-এর ChatGPT-র সর্বশেষ সংস্করণ GPT-4.0 ঝড় তুলেছে গোটা দুনিয়ায়। তবে ChatGPT-র অপব্যবহার করে উঠছে পরিচয় পত্র জালের অভিযোগ। নেট ব্যবহারকারীদের একাংশের এমন দাবিতে আতঙ্কিত সকলেই।
ChatGPT-র অপব্যবহার
OpenAI-এর আধুনিক সংস্করণ ব্যবহার করে ৭০ কোটিরও বেশি ছবি তৈরি করে ফেলেছেন নেটিজেনরা। তবে ChatGPT-র সর্বশেষ সংস্করণ GPT-4.0-কে কাজে লাগিয়ে জাল নথি তৈরির অভিযোগ তুলেছেন অনেকেই। বিল-ইনভয়েসের পাশাপাশি চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে নাকি তৈরি করে ফেলা হচ্ছে ভুয়ো আধার-প্যান কার্ডও।
আরও পড়ুন : আজকের রাশিফল ৫ এপ্রিল, বাড়ি-গাড়ি কেনার সুযোগ এই চার রাশির
অনেকেই ChatGPT প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করে ফেলেছেন OpenAI-এর সিইও স্যাম অল্টম্যান এবং টেসলার সিইও ইলন মাস্কের জাল আধার কার্ড! এমনকি তাতে আবার রয়েছে QR কোডও। নেটিজেনদের একাংশ সেই সব ভুয়ো আধার কার্ডের ছবি শেয়ার করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। অনেকেই বলছেন, ভুয়ো এই আধার কার্ডের সাথে আসল আধার কার্ডের সামঞ্জস্য রয়েছে অনেকটাই।
আরও পড়ুন : আর নয় অপেক্ষা! ফের দাপট দেখাতে প্রস্তুত ভারতের “গোল্ডেন বয়”, মিলল বড় আপডেট
ChatGPT-র নিত্যনতুন AI টুলগুলি ব্যবহার করে ফাঁদ পাততে পারে জালিয়াতরা, এই অভিযোগে বেশ কিছুদিন ধরে সরগরম সমাজ মাধ্যম। কতটা ক্ষমতা দেওয়া উচিত AI-কে, তা নির্ধারণ করতেও রীতিমতো ‘ভার্চুয়াল আদালত’ বসিয়ে ফেলেছেন অনেকে। সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের একাংশের দাবি, সরকারের দ্রুত AI-এর উপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ প্রয়োজন।
পুলিশ-প্রশাসনের কাছে ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা আধার-প্যান জালিয়াতিচক্র মাথা ব্যথার বড় কারণ। মাঝেমধ্যে অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন প্রতারকদের গ্রেফতারও করে পুলিশ। তৎপরতা থাকলেও জালিয়াতিচক্র সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা সম্ভব হয়নি দেশে। এই পরিস্থিতিতে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে যদি জাল আধার-প্যান কার্ড তৈরি করা সম্ভব হয়, তাহলে আগামী দিনে নিঃসন্দেহে বড় চ্যালেঞ্জ আসতে চলেছে পুলিশ-প্রশাসনের কাছে।
GPT-4.0-এর ‘নেটিভ ইমেজ জেনারেশন’ টুলটি যে আশঙ্কার কারণ হয়ে উঠতে পারে তা স্বীকার করে নিয়েছে খোদ OpenAI-ও। সংস্থার কথায়, ‘একক ভাবে এবং অন্যান্য বৈশিষ্টের সংমিশ্রণে বিভিন্ন ধরনের ঝুঁকি তৈরির কারণ হয়ে উঠতে পারে এই টুলসগুলি। তাদের পুরনো ভার্সনে এই ধরনের ঝুঁকির সম্ভাবনা প্রায় ছিল না বললেই চলে।’