সাবধান! ক্যাশ অন ডেলিভারির নামে প্রতারিত হচ্ছেন গ্রাহকেরা, এই উপায়গুলি জানলেই হবেন নিশ্চিন্ত

বাংলা হান্ট ডেস্ক: যত দিন এগোচ্ছে ততই আমাদের দেশে অনলাইন কেনাকাটার (Online Shopping) প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। কারণ এর মাধ্যমে বাড়িতে বসেই নিজের পছন্দের জিনিসপত্র একটি ক্লিকেই কিনে ফেলা যায়। যদিও, বর্তমান সময়ে অনলাইন শপিংয়ের মাধ্যমে গ্রাহকদের সাথে বিভিন্ন প্রতারণার ঘটনাও সামনে আসে। যেখানে মূলত, গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।

ইতিমধ্যেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকেই এই প্রতারণার খবর সামনে এসেছে। প্রকৃতপক্ষে ওই প্রতারণার সময়ে গ্রাহকদেরকে ভুয়ো কল করার মাধ্যমে ক্যাশ অন ডেলিভারির (Cash On Delivery) নামে তাঁদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করা হয়। এমতাবস্থায়, অনলাইন শপিং সম্পর্কিত এই ধরণের প্রতারণা এড়াতে আপনার অবশ্যই সতর্ক হওয়া উচিত।

ক্যাশ অন ডেলিভারির নামে প্রতারণা: মূলত, আগে অনলাইনে কেনাকাটার সময়ে বেশিরভাগ প্রতারণার ঘটনা অনলাইন পেমেন্টের ক্ষেত্রে ঘটত। যার ফলে, গ্রাহকেরাও সচেতন হয়ে পড়েন। এমতাবস্থায়, প্রতারকরাও এবার প্রতারণার নতুন উপায় বের করেছে। যার ফলে তাঁরা এখন ক্যাশ অন ডেলিভারির মাধ্যমেও প্রতারণা শুরু করেছে।

এই প্রতারণার মাধ্যমে গ্রাহককে একটি কল করে প্রতারক নিজে ডেলিভারি বয় হওয়ার ভান করে পার্সেল ডেলিভারির কথা বলেন। এমনকি, কিছু কিছু ক্ষেত্রে গ্রাহক কোনো জিনিস অর্ডার না করলেও তাঁদেরকে এহেন ভুয়ো কল করা হয়। এমতাবস্থায়, ওই জিনিস নিতে অস্বীকার করলে ডেলিভারি বয় তাঁর চাকরি চলে যাওয়ার মিথ্যে কথা বলে ওই গ্রাহককে ফাঁসানোর চেষ্টা করে।

এমতাবস্থায়, আপনি যদি ওই ভুয়ো ডেলিভারি বয়ের কথা মেনে নেন সেক্ষেত্রে আপনাকে তারা ক্যাশ অন ডেলিভারির নামে আপনার হাতে একটি খালি পার্সেল তুলে দেবে এবং টাকা নিয়েই কার্যত “হাওয়া” হয়ে যাবে। সুতরাং আপনি যদি ক্যাশ অন ডেলিভারি সম্পর্কিত এমন কোনো কল পান সেক্ষেত্রে আপনার সেটি সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষা করা উচিত।

5c1223ef2200000307deab97

SMS-এর মাধ্যমেও জালিয়াতি ঘটে: এছাড়াও কিছু প্রতারক আবার SMS-এর মাধ্যমে গ্রাহকদের প্রতারণা করার চেষ্টা করে। যার মাধ্যমে তারা পার্সেলের ক্ষেত্রে অর্থ প্রদানের জন্য মেসেজের মাধ্যমে একটি লিঙ্ক পাঠায়। আপনি সেই লিঙ্কে ক্লিক করলেই আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টাকা কেটে নেওয়া হয়। তাই অপরিচিত নম্বর থেকে আসা এই ধরণের SMS বা লিঙ্কে ক্লিক করা থেকেও অবশ্যই বিরত থাকুন।

Sayak Panda
Sayak Panda

সায়ক পন্ডা, মেদিনীপুর কলেজ (অটোনমাস) থেকে মাস কমিউনিকেশন এবং সাংবাদিকতার পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোর্স করার পর শুরু নিয়মিত লেখালেখি। ২ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলা হান্ট-এর কনটেন্ট রাইটার হিসেবে নিযুক্ত।

সম্পর্কিত খবর