অদ্ভুত ফ্যাশন! প্যান্টে প্রস্রাবের দাগ কিনতেই অনলাইনে ভিড় জমাচ্ছেন ক্রেতারা, দাম জানলে উড়বে হুঁশ

Published On:

বাংলা হান্ট ডেস্ক: সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বর্তমানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঘটছে পরিবর্তন। শুধু তাই নয়, পরিবর্তন ঘটছে মানুষের পছন্দ থেকে শুরু করে মানসিকতায়। এমতাবস্থায়, এহেন পরিবর্তনের রেশ সবথেকে বেশি পরিলক্ষিত হয় ফ্যাশনের (Fashion) দুনিয়ায়। অনেকেই নিত্যনতুন ফ্যাশনের সাথে নিজেকে সংযুক্ত করতে পছন্দ করেন। যদিও, কিছু কিছু ক্ষেত্রে ফ্যাশনের গেরোয় তৈরি হয় বিতর্ক। যা উঠে আসে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতেও। বর্তমান প্রতিবেদনেও আমরা ঠিক সেই রকমই এক বিষয় উপস্থাপিত করব। যেটি সম্পর্কে জানার পর অবাক হবেন প্রত্যেকেই।

সম্প্রতি, একটি ব্র্যান্ড এমন জিন্স লঞ্চ করেছে যা বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। আসলে বিখ্যাত জিন্স কোম্পানি Jordanluca একটি নতুন ডেনিম প্যান্ট লঞ্চ করেছে। এই প্যান্টের সামনে কোমরের অংশে একটি দাগ রয়েছে। যেই দাগটি দেখে মনে হয় যে ওই জিন্স পরিহিত ব্যক্তি হয়তো প্যান্টে প্রস্রাব করে ফেলেছেন। কারণ, দূর থেকে দেখলে প্যান্টটি সম্পূর্ণ ভিজে গেছে বলে মনে হয়।

jordanluca-pee-stain-jeans-branded-know-price-social-media-reaction.

যদিও, এই জিন্স যে তার অদ্ভুত স্টাইলের জন্যই বিখ্যাত এমনটা কিন্তু নয়। পাশাপাশি, এই জিন্সের দামও আপনাকে করে দেবে অবাক। ব্রিটিশ-ইতালি মেন্সওয়ার এই ব্র্যান্ডের ওই জিন্সগুলি এখন অনলাইনে বিক্রি হচ্ছে৷ যেগুলির দাম ৮১১ ডলার। অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় এই জিন্সের দাম প্রায় ৬৭,৬০০ টাকা। তবে, ওই জিন্সের আরেকটি ভেরিয়েন্টের দাম ৬০৮ ডলার (প্রায় ৫০,০০০) টাকা।

আরও পড়ুন: হাবাসের চালে কাবু হবে ওড়িশা, মোহনবাগানকে ISL ফাইনালে তুলতে মোক্ষম স্ট্র্যাটেজি কোচের

সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই জিন্স কেনার ক্ষেত্রে ক্রেতাদের অভাব নেই। যদিও, অনেকেই এই জিন্সের সমালোচনাও করছেন। এমনকি, সোশ্যাল মিডিয়াতেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে এই জিন্স। এই প্রসঙ্গে একজন লিখেছেন, “কারা সেই মানুষ, যাঁরা প্রস্রাবের দাগযুক্ত জিন্স কিনতে চান?” আরেকজন লিখেছেন “ফ্যাশনের জন্য মানুষ কি করছে না? এখন সময় এসেছে এভাবে জিন্স পরার।”

আরও পড়ুন: রোহিত কিংবা কোহলি নন! ভারতকে T20 বিশ্বকাপ এনে দেবেন এই দুই প্লেয়ার, নাম জানালেন যুবরাজ

পাশাপাশি আরেকজন লিখেছেন যে, “এই জিন্সগুলি সত্যিই খুব ব্যয়বহুল। শুধুমাত্র ‘কুল’ লোকেরাই এগুলি পরতে পারে।” আরেকজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, “ফ্যাশনের কারণে মানুষ পাগল হয়ে গেছে। আমি বিশ্বাস করতে পারছি না।” এদিকে, অন্য আরেকজনের মতে, “মানুষ মানসিকভাবে অকেজো হয়ে পড়েছে। এমন ডিজাইনের কি দরকার ছিল? যাঁরা এটা পরেন তাঁদের মানসিকতা কেমন?”

Sayak Panda

সায়ক পন্ডা, মেদিনীপুর কলেজ (অটোনমাস) থেকে মাস কমিউনিকেশন এবং সাংবাদিকতার পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোর্স করার পর শুরু নিয়মিত লেখালেখি। ২ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলা হান্ট-এর কনটেন্ট রাইটার হিসেবে নিযুক্ত।

সম্পর্কিত খবর

X