দূষণের চরম সীমা পার! দিল্লী কি রাজধানী হওয়ার উপযুক্ত? প্রশ্ন শশী থারুরের

Published On:

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ দিল্লি দেশের প্রাণ! দেশের রাজধানী হওয়ায় এই শহরের প্রতি সাধারণ মানুষের আকর্ষণ বরাবরই একটু বেশি। কিন্তু বিগত কয়েক বছর ধরে এই রাজধানী দিল্লির (Delhi Pollution) বাতাসেই বিষ। দূষণে নাজেহাল গোটা শহর। দূষণের (Delhi Pollution) জেরে এখন দিল্লিতে নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়াই বেশ কষ্টকর। তাই এই  শহর কি আদৌ ভারতের রাজধানী হওয়ার জন্য উপযুক্ত?

দূষিত দিল্লি (Delhi Pollution) নয় রাজধানী হোক অন্য শহর

এবার এই প্রশ্ন তুলেই কার্যত শোরগোল ফেলে দিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর। এদিন প্রাক্তন এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবি, দিল্লিতে (Delhi Pollution) অতিরিক্ত দূষণের কারণে বছরের বেশিরভাগ সময়টাই বসবাস করতে গিয়ে নাভিশ্বাস ওঠার জোগাড় হয় সাধারণ মানুষের। তাই এদিন তাঁর প্রশ্ন ছিল এহেন শহর কিভাবে দেশের রাজধানী হতে পারে? এই শহর কি আদৌ ভারতের রাজধানী হওয়ার উপযুক্ত? 

দিল্লির দূষণের হাত থেকে বাঁচতে তিনি দেশের অন্য কোন শহরকে দেশের রাজধানী করার দাবি জানিয়েছেন। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় সারা বিশ্বের নিরিখে দূষিত শহরগুলির একটি তালিকা শেয়ার করে নিয়েছিলেন এই কংগ্রেস সংসদ।

সারা বিশ্বের নিরিখে সেখানে তিনি যে পরিসংখ্যান তুলে ধরেছিলেন সেখানে দেখা যাচ্ছে গোটা দুনিয়ায় দিল্লির মতো দূষিত শহর আর কোথাও নেই। শুধু তাই নয়, দূষণের পরিসংখ্যান অনুযায়ী দিল্লির দূষণের ধারে কাছেও নেই অন্য কোন শহর। এমনকি ওই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশের ঢাকাও অনেকে পিছিয়ে।

আরও পড়ুন: বাঙালি হিন্দুদের বড় উপহার দিল অসম সরকার! পাল্টে গেল করিমগঞ্জের নাম

এ প্রসঙ্গে এদিন শশী থারুর  দাবি করেছেন, ‘আমাদের সরকার বছরের পর বছর মুখ বুঝে যে দূষণ যন্ত্রণা দেখছে। কিন্তু কোনও পদক্ষেপ করছে না। আমি নিজে ২০১৫ থেকে বাতাসের গুণগত মান নিয়ে অন্যান্য সাংসদদের সঙ্গে কথা বলেছি। কিন্তু কিছুই যেন বদলায়নি। কারও কোনও ভ্রূক্ষেপ নেই।’এরপরেই এদিন তাঁর প্রশ্ন, ‘নভেম্বর থেকে জানুয়ারি এই শহরটা বসবাসের উপযুক্ত থাকে না। অন্য সময়ও অসহ্য। দিল্লির কি সত্যিই দেশের রাজধানী থাকা উচিত?’

 

প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রির এই পোস্টে অনেকে আবার পরামর্শ দিয়ে লিখেছেন দক্ষিণ ভারতের চেন্নাই কিংবা হায়দ্রাবাদের মত কোন শহরকে আমাদের দেশের রাজধানী করা উচিত। কারণ ওই শহর গুলিতে বাতাস অনেক পরিষ্কার থাকে। প্রসঙ্গত ইতিমধ্যেই বায়ু দূষণকে মেডিকেল ইমার্জেন্সি বলে ঘোষণা করেছে দিল্লি সরকার। এমনকি দূষণের হাত থেকে অনেক অফিসেই চালু করা হয়েছে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’।

Anita Dutta

অনিতা দত্ত, বাংলা হান্টের কনটেন্ট রাইটার। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৪ বছরের বেশি সময় ধরে সাংবাদিকতা পেশার সাথে যুক্ত।

সম্পর্কিত খবর

X