বাংলাহান্ট ডেস্ক : বিভিন্ন বাণিজ্যিক চুক্তির আওতায় ভারত, চিনসহ একাধিক দেশ বিনিয়োগ করেছে বাংলাদেশে। বাংলাদেশের বস্ত্র, জুয়েলারি, কেমিক্যাল, ওষুধ, পাওয়ার, এগ্রোবেইজড ইন্ডাস্ট্রি, মেশিনারির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিনিয়োগ রয়েছে ভারতের একাধিক সংস্থার। তবে এবার বাংলাদেশে (Bangladesh) কাঁকড়ার ব্যবসা করার জন্য লাইসেন্স চাইলেন কিনা স্বয়ং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প!
ট্রাম্পের নজরে এবার বাংলাদেশ (Bangladesh)
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) থেকে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বাংলাদেশে (Bangladesh) কাঁকড়ার ব্যবসা করার অনুমতিপত্রও প্রদান করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। ডিনসিসি মার্কিন প্রেসিডেন্টের নামে জারি করেছে ই-ট্রেড লাইসেন্স। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই স্বাভাবিকভাবেই হইচই শুরু হয়ে গিয়েছে ওপার বাংলায়।
আরও পড়ুন : মাত্র ১৫ মাসে খতম ৪০০ সদস্য! বেগতিক বুঝে কেন্দ্রের কাছে যুদ্ধবিরতির বার্তা মাওবাদীদের
বাংলাদেশের (Bangladesh) সংবাদ মাধ্যম ‘প্রথম আলো’ দাবি করেছে, ডিএনসিসি গত ১১ই মার্চ ‘ট্রাম্প অ্যাসোসিয়েশন’-এর নামে ই-ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করেছে। প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার হিসাবে নাম রয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের। বাবা ও মায়ের নামের সাথে লাইসেন্সে রয়েছে ট্রাম্পের নিউ ইয়র্কের ঠিকানা। ডিএনসিসির রাজস্ব বিভাগের তরফে জারি করা এই লাইসেন্সে রয়েছে মার্কিন রাষ্ট্রপতির ছবিও।
আরও পড়ুন : বাড়ানো হবে গরমের ছুটি? বড় সিদ্ধান্ত নিল বিকাশ ভবন
যদিও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের রাজস্ব বিভাগের আধিকারিক মহম্মদ মনিরুজ্জামান জানিয়েছেন, এই লাইসেন্স জাল। মহম্মদ মনিরুজ্জামানের কথায়, বর্তমানে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে লাইসেন্স তৈরি করা হচ্ছে। অনলাইনে আবেদন করে যে কেউ ই-ট্রেড লাইসেন্স নিতে পারেন। এমনকি জাল নথি জমা দিয়েও তৈরি করে ফেলা যায় লাইসেন্স।
রাজস্ব বিভাগের আধিকারিকের কথায়, ট্রাম্পের (Donald Trump) নামে ইস্যু হওয়া এই ই-ট্রেড লাইসেন্স তেমনই একটি উদাহরণ। মনিরুজ্জামান বলেন, দপ্তরের কর্মীরা ট্রায়ালের জন্য এই জাল ই-ট্রেড লাইসেন্স তৈরি করেছেন। এমনকি ইলন মাস্কের নামেও তৈরি হয়েছে এই ধরনের জাল লাইসেন্স। মহম্মদ মনিরুজ্জামানের কথায়, ‘এই কাজ করা হয়েছে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে যে জাল ই-ট্রেড লাইসেন্স বের করা যায়, তা বোঝানোর জন্য।’
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন লাইসেন্স প্রদান প্রক্রিয়া সরলীকরণের উদ্দেশ্যে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে ই-ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করছে। সেক্ষেত্রে আবেদনকারী অনলাইনে নথি ও আবেদনমূল্য জমা দিলেই তৈরি করে ফেলতে পারবেন ই-ট্রেড লাইসেন্স। ভবিষ্যতে জাল ই-ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু কীভাবে বন্ধ করা যায়, সেই বিষয়টি নিয়েই ভাবনা-চিন্তা শুরু করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আধিকারিকরা।