টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গIPL

এবার দূর্গাপুজোয় মমতাকে উদ্বোধনে টেক্কা দিতে আসছে অমিত সাহ,জেপি নাড্ডা

বাংলা হান্ট ডেস্ক – ২দিন আগে দিল্লিতে মুকুল দিলীপের নেতৃত্বে বৈঠক করেন অমিত শাহ।সেখানে বাংলার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়

এছাড়া কিভাবে ২০২১ রণকৌশল তৈরি করা যায় তার জন্য বেশ কয়েকটি বিষয়ে নজর দিতে বলেন কিন্তু তার আগেই পরের মাসে কলকাতার বাংলার সব থেকে বড় উৎসব দুর্গাপূজা উৎসব ময়দানে নামতে চলেছে বিজেপি।তারা বেশ কয়েকটি পূজামণ্ডপ হাতিয়ার করে ভোটের ময়দানে বাজিমাত করতে চলেছে। কারণ দুর্গাপুজো দখল করে রেখেছে তৃণমূলের একাধিক বড় বড় নেতারা। দূর্গাপুজো এবার উদ্বোধন করবে কোন গুলো পুজো তা এখন ও তথ্য প্রকাশ করেনি।

রাজ্য বিজেপির কোন কোন পুজো উদ্বোধন করবেন তার তালিকা পাঠাতে বলা হয়েছে। এছাড়া উদ্বোধনে আসতে পারে অমিত সাহ, জেপি নাড্ডা বলে শোনা যাচ্ছে। দিল্লির খবর ২৮,২৯ তারিখে কলকাতায় উদ্বোধনের আসবেন।বেশ কয়েক বছর দেখা গেছে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দূর্গাপুজোর উদ্বোধন করেন কিন্তু এ বছর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে টেক্কা দিতে আসছে অমিত শাহ কিন্তু কোন পুজো গুলোকে উদ্বোধন করবে সে বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কোন সঠিক তথ্য দিতে পারেনি রাজ্য বিজেপি।

তারা কোন কোন পুজো সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করছে তা কোনো প্রকাশ্যে আনছেন না কারণ বিজেপি যুক্ত আছে সেই কটা পুজোতে, তৃণমূল যদি জানতে পারে তা হলে বিভিন্ন কাজে বাধা দিতে পারে তাই এখন ই প্রকাশে আনছে না বিজেপি নেতৃত্ব। গোপনে রেখে এগিয়ে যাচ্ছে কিন্তু এ বছর যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিক পুজো উদ্বোধন করতো পুজোর কিছুটা হলেও চাপে পড়বে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

অমিত শাহ পুজো উদ্বোধন আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। গত বছর কলেজ সন্তোষ মিত্র স্কায়ারের পুজোর উদ্বোধন আসার কথা ছিল কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর কিন্তু শেষ তা হয়নি। বিজেপি শেষ পর্যন্ত বাংলায় দূর্গাপুজোতে অমিত সাহকে এনে কোন বাজিমাত করতে পারে কিনা

 

সেই দিকে তাকিয়ে গোটা রাজনৈতিক মহল কিন্তু বিজেপির একাধিক হেভিওয়েট নেতারা যদি তৃণমূলকে উদ্বোধন নিয়ে চাপে ফেলে তা হলে শেষে তৃনমূল কি ভূমিকা নেয় সেটাই দেখার বিশয়। এখন দেখার বিষয় শেষ পর্যন্ত বাংলার পুজো উদ্বোধন আসে কিনা এবং এসে কটা পুজো উদ্বোধন করতে পারে অমিত সাহ সেই দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। বাংলীর সব থেকে বড় উৎসব যেন রাজনৈতিক রং না লাগে তা বুঝে শুনে পা ফেলতে চাইছে বিজেপি,কারন পুজোর সময় যদি রাজনৈতিক বার্তা দেয় তা হলে মানুষ বুঝে যাবে বিজেপি পুজোকে নিয়ে রাজনিতি করছে। তাই মানুষের কাছে জনসংযোগ করতে চাইছে গোপনে।

Related Articles

Back to top button