টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গ

মোবাইল সিমের মতোই বদলাতে পারবেন বিদ্যুৎ কোম্পানি, লোকসভায় বিল পাশ কেন্দ্রের

বাংলাহান্ট ডেস্ক : টেলিকম সংস্থাগুলির মতোই এখন থেকে বেসরকারিভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে পারবে একাধিক বেসরকারি সংস্থাও। মোদী সরকারের উদ্যোগে সোমবার লোকসভায় প্রকাশিত বিদ্যুৎ সংশোধনী বিলে সেই কথাই বলা হয়েছে। তবে, গ্রাহক তাঁর পছন্দ মত সরকারি বা বেসরকারি পরিষেবা বেছে নিতে পারবেন বলেও জানা গিয়েছে।

শুধু বেসরকারি সংস্থাগুলিকে ছাড়পত্র নয়, বিদ্যুতের মাশুলের ক্ষেত্রেও মোদি সরকার এবার বড় রকমের পরিবর্তন আনছেন। এই বিলে থাকছে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন মাশুলের সীমা। কেন্দ্রের দাবি অনুযায়ী, এই বিলের দ্বারা গ্রাহক এবং সংস্থা দুই পক্ষেরই স্বার্থ অক্ষুন্ন থাকবে। তবে বিল পাস হওয়ার আগেই এই বিল নিয়ে বিরোধিতা শুরু হয়েছে অল ইন্ডিয়া পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ার্স ফেডারেশনের তরফে।

অল ইন্ডিয়া পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ার ফেডারেশনের দাবি, বিলটি সরাসরি লোকসভায় পাশ না করিয়ে আগে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো উচিত ছিল। তাই বিলটিকে পাশ করার পূর্বে আগে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠিয়ে বিস্তারিতভাবে আলোচনার দাবি রেখেছে তারা।তাদের অভিযোগ , বিলটি পাশ করার আগেই কেন্দ্র সরকার কেন বিদ্যুৎ ক্ষেত্রের সঙ্গে জড়িত সমস্ত পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করলেন না?

তবে, শুধুমাত্র ইঞ্জিনিয়ার্স ফেডারেশন নয় এই বিলের বিরোধিতা করেছেন সংযুক্ত কিষান মোর্চা। তারা হুমকি দিয়েছে এই বিল পাশ করা হলে সমগ্র দেশবাসী পথে নামবেন। তাদের দাবি এই বিল লোকসভায় পেশ করা হলে বিদ্যুৎ ক্ষেত্রের সঙ্গে জড়িত প্রায় ২৭ লক্ষ কর্মচারী ও ইঞ্জিনিয়ারগণ সামিল হবেন ধর্মঘটে। সারা ভারত ইঞ্জিনিয়ার্স ফেডারেশন বা এআইপিএফ এর তরফে একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছে। এই বিবৃতির মাধ্যমে কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ মন্ত্রীর মন্তব্যের বিরোধিতা করা হয়েছে।

ইঞ্জিনিয়ার এবং কর্মচারীদের তরফ থেকে সামগ্রিকভাবে জানানো হয়েছে যে ” তাড়াহুড়োভাবে বাদল অধিবেশনে এই বিলটি লোকসভায় পেশ করা যাবে না। এই বিষয়ে যে কোন পদক্ষেপ নেওয়ার আগে বিদ্যুৎ সংশ্লিষ্ট সমস্ত পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে নেওয়া উচিত।”

Related Articles