টাইমলাইনভারত

৮টি দেশের অগণিত অতিথিদের জানানো হবে স্বাগত, ঢেলে সাজানো হচ্ছে যোগী রাজ্যের কাশী

বাংলাহান্ট ডেস্ক: কাশী শহরের খ্যাতি শুধুমাত্র দেশজুড়ে নয়, সারা বিশ্বেই ছড়িয়ে রয়েছে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের জন্য একটি অত্যন্ত পবিত্র স্থান হন কাশী। এর উল্টো দিকেই রয়েছে বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন শহর বারাণসী (Varanasi)। দুই শহর মিলে পৃথিবীর মানচিত্রে একটি গৌরবময় স্থান অধিকার করেছে শহরগুলি। সারা বছর ধরেই এখানে দেশ বিদেশ থেকে মানুষ আসেন। এই জায়গার ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্য সকলেরই নজর কাড়ে।

এবার কাশীর সংস্কৃতির সঙ্গে অবগত হতে সেখানে আসতে চলেছেন ৮টি দেশের বিশেষ অতিথিরা। আগামী বছরের ১৬ জানুয়ারি শাংহাই সহযোগিতা সংগঠন বা এসসিও-র একটি প্রতিনিধি দলকে এই শহরে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকার। এই দলটি এসে কাশীর সংস্কৃতি এবং পৌরাণিক ঐতিহ্যের সঙ্গে অবগত হবে।

উল্লেখ্য, এসসিও-র তরফে এই মাসেই কাশীকে পৃথিবীর প্রথম সাংস্কৃতিক ও পর্যটন রাজধানীর আখ্যা দেওয়া হয়েছে। এরপরেই যোগী সরকার এই সংগঠনের সমস্ত সদস্যকে কাশীতে ভ্রমণ করে যাওয়ার আমন্ত্রণ পাঠিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্দেশ অনুযায়ী উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ প্রাচীন শহর বারাণসীর উন্নয়ন করতে বদ্ধপরিকর।

মুখ্যমন্ত্রীর চেষ্টায় বিগত কয়েক বছরের মধ্যে এই ধর্মীয় শহরটি উত্তরপ্রদেশে পর্যটনের ক্ষেত্রে সবেয়ে আদর্শ জায়গায় রূপান্তরিত হয়েছে। দেশ বিদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ তীর্থযাত্রী প্রতিদিন কাশী ভ্রমণে আসেন। আগামী বছর কাশীতে বিদেশি অতিথিদের স্বাগত জানাতে জোরকদমে প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্য সরকার।

মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নির্দেশে কাশীকে আরও সুন্দর করে সাজিয়ে তোলার প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। সরকারের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিদেশি অতিথিদের জমকালোভাবে স্বাগত জানানোর ব্যবস্থা করতে।

পরিচ্ছন্নতা মিশনের আওতায় শহরকে সম্পূর্ণ পরিষ্কার রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে শহরকে যানজটমুক্ত করতেও বলা হয়েছে। স্কুলের শিশুদের দিয়ে অতিথিদের স্বাগত জানানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। সরকারের উদ্দেশ্য হল, অতিথিরা যখন কাশীতে আসেন, তখন তাদের মধ্যে স্বাতন্ত্র্যবোধ থাকে, যাতে তারা কাশীর সংস্কৃতি বুঝতে পারে।

শাংহাই সহযোগিতা সংগঠন বিশ্বের আটটি দেশের সদস্যপদ নিয়ে তৈরি একটি নিরাপত্তা জোট। এর মধ্যে রয়েছে চীন, রাশিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, ভারত এবং পাকিস্তানের প্রতিনিধিরা।

এই সংস্থাটি কেবল নিরাপত্তার জন্য নয়, নিজেদের মধ্যে অর্থনৈতিক অগ্রগতি জোরদার করার জন্যও কাজ করে। এই অবস্থায় সাংস্কৃতিক পরিচয় ছাড়াও এই দেশগুলির সঙ্গে ব্যবসার দিক থেকে তাঁর বারাণসীতে আসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

Related Articles