বাংলাহান্ট ডেস্ক : স্বাধীনতার পর কেটে গিয়েছে কয়েক দশক। এতদিন পরেও কাশ্মীর ইস্যুতে জব কাটেনি ভারত ও পাকিস্তানের (India-Pakistan) মধ্যে। সম্প্রতি কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে বারংবার বাকবিতণ্ডায় জড়িয়েছে দুই দেশ। এবার রাষ্ট্রসংঘে ফের কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সুর চড়াল ভারত। জম্মু ও কাশ্মীরে পাকিস্তানের অবৈধ দখলদারি নিয়ে রাষ্ট্রসংঘে ভারতের হুঙ্কার।
রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি ভারতের (India-Pakistan)
অবৈধ ভাবে উপত্যকার বেশকিছু এলাকা দখল করে রাখার অভিযোগে রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিল দিল্লি। এরই সাথে স্পষ্ট ভাষায় এদিন ভারতের (India) তরফে জানানো হয়, ভারতের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ জম্মু ও কাশ্মীর। এখনও আছে। ভবিষ্যতেও তাই থাকবে। রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদের ভাষণে সোমবার ভারতীয় দূত পি হরিশ কাশ্মীরকে নিয়ে পাকিস্তানের মিথ্যা দাবির তীব্র প্রতিবাদ জানান।
আরও পড়ুন : ‘বাঙালির পেটে লাথি মারাটাই ওদের কাজ’! কেন্দ্রকে ঝাঁঝালো আক্রমণ কল্যাণের
ভারতীয় দূত বলেন, জম্মু এবং কাশ্মীর (Jammu-Kashmir) নিয়ে বারংবার মিথ্যাচার করে যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রতিনিধিরা। বারবার অবৈধ দাবি উত্থাপন করলেই সেটা বৈধ হয়ে যাবে না। পাশাপাশি এদিনের ভাষণে পি হরিশ সরকারি মদতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আনেন সন্ত্রাসে মদত দেওয়ার অভিযোগও। রাষ্ট্রপুঞ্জের নিরাপত্তা পরিষদে শান্তিরক্ষা বাহিনীর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে একটি আলোচনার আয়োজন করা হয়।
আরও পড়ুন : পর্যটকদের জন্য বড় সুখবর! দার্জিলিং-কালিম্পং-সিকিমে শুরু হল বিশেষ পরিষেবা, জানলে হবেন খুশি
সেখান থেকেই পাকিস্তানের (Pakistan) কূটনীতিক সৈয়দ তারিক ফতেমি কাশ্মীর ইস্যু নিয়ে বারংবার আক্রমণ চালান ভারতের বিরুদ্ধে। তারপরই ভারতের তরফে জম্মু ও কাশ্মীরের একটি অঞ্চল অবৈধভাবে দখলদারির অভিযোগ আনা হয় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। এমনকি পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়ার অভিযোগও করেন ভারতীয় দূত পি হরিশ।
কিছুদিন আগেই মার্কিন পডকাস্টার লেক্স ফ্রিডম্যানের সাথে একটি সাক্ষাৎকারে কাশ্মীর ও সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে পাকিস্তানকে সরাসরি আক্রমণ করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মোদির সেই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে সেদেশের বিদেশমন্ত্রক একটি বিবৃতি জারি করে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যকে ‘বিভ্রান্তিকর ও এক পাক্ষিক’ বলে দাবি করে। তারপরই পাক অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে পাল্টা পাকিস্তানকে তোপ দাগেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। বিবৃতিতে বিদেশমন্ত্রী বলেন, “দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরবর্তী সময়ে সবথেকে বেশি সময় ধরে অন্য দেশে ঘাঁটি বেঁধে রাখার উদাহরণ রয়েছে ভারতের কাশ্মীরেই।”