বঙ্গবাসীর জন্য বড় খবর! বাংলায় চালু হচ্ছে আরও একটি নতুন রেললাইন, কোথায় জানেন?

Published On:

বাংলাহান্ট ডেস্ক : দূরপাল্লার ভ্রমণের ক্ষেত্রে রেল পরিষেবাকেই বেছে নেন বেশিরভাগ মানুষ। কারণ কম খরচায় আরামদায়ক জার্নি একমাত্র দিতে পারে রেল। তাই উত্তরোত্তর ট্রেনের সংখ্যাও বাড়ছে। সে রকমই দক্ষিণ দিনাজপুরে বালুরঘাট-হিলি রেললাইন সম্প্রসারণ হতে চলেছে। তবে এই লাইন সম্প্রসারণের আগে নানান বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে রেল কর্তৃপক্ষকে।

জমি জটের কারণে এতদিন আটকে ছিল সম্প্রসারণের কাজ। তবে এবার ধাপে ধাপে জমি অধিগ্রহণ করবে কেন্দ্র। আর তাতে সাহায্য করবে জেলা প্রশাসন। ভারতীয় রেলের (Indian Railways) তরফে ২০২৩ সালে বালুরঘাট-হিলি রেল প্রকল্পের জন্য জমি সমীক্ষা এবং অধিগ্রহণের কাজ শুরু হয়। এরপরে জেলা প্রশাসনের হাতে কিছু জমি আসে। তবে তা খুবই সামান্য।

আরোও পড়ুন : স্টেশন মাস্টার থেকে টিকিট কাউন্টার, প্ল্যাটফর্ম চত্বরে নেই কিছুই! বাংলাতেই আছে বিস্ময়কর এই স্টেশন

এই প্রকল্পের জন্য প্রয়োজন আরও কিছুটা জমি। তা ধাপে ধাপে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। আপাতত প্রথম পর্যায়ে রেলের হাতে কিছুটা জমি তুলে দিতে উদ্যোগী হয়েছে জেলা প্রশাসন। প্রশাসন সূত্রে খবর, ‘আগামী এক মাসের মধ্যে কিছু জমি প্রথম পর্যায়ে রেলের হাতে তুলে দেওয়া হবে।’রেললাইন সম্প্রসারিত হলে উপকৃত হবেন বহু মানুষ। 

আরোও পড়ুন : দুর্দান্ত খবর! এবার পোস্ট অফিসের এই স্কিমে টাকা রাখলেই দু’দিনে মালামাল, না জানলেই ‘বিগ লস’

তবে জমি দেওয়া প্রসঙ্গে জেলাশাসক জানিয়েছেন, ‘প্রাথমিক ভাবে কিছুটা জমি আগামী এক মাসের মধ্যে পুরোপুরি জেলা প্রশাসনের হাতে চলে আসবে। তখন রেলের কাজ করতে বাঁধা থাকবে না। আসলে নতুন লাইন তৈরি করতে দেড় হাজারেরও বেশি ‘প্লট’ থেকে জমি নিতে হচ্ছে। এদিকে এর মাঝেই লোকসভা নির্বাচন এসে যাওয়ায় জমি অধিগ্রহণের কাজ বন্ধ ছিল।’

দক্ষিণ দিনাজপুরের লাইন সম্প্রসারণের কাজে উদ্যোগী হয়েছিলেন রাজ্যে সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি গতবছরই কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে দেখা করে রেল প্রকল্প সম্পন্ন করার বিষয়ে দাবিপত্র জমা করেন। এরপরই হিলি রেল লাইন সম্প্রসারণ নিয়ে নড়েচড়ে বসে কেন্দ্র সরকার।

balurghat station

জানা গিয়েছে, এই প্রকল্পে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা খরচ করতে চলেছে রেল। শুধু তাই নয়, জমি অধিগ্রহণের পুরো টাকাটাই প্রশাসনের হাতে তুলে দেবে কেন্দ্র। তবে জল এতদূর গড়িয়ে গেলেও বন্ধ হয়ে যায় জমি অধিগ্রহণের কাজ। অবশেষে আবার নড়েচড়ে বসেছে জেলা প্রশাসন। এখন দেখার কত তাড়াতাড়ি লাইন সম্প্রসারণের কাজ শুরু হয়।

আমি সৌমিতা। বিগত ৩ বছর ধরে কর্মরত ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমে। রাজনীতি থেকে শুরু করে ভ্রমণ, ভাইরাল তথ্য থেকে শুরু করে বিনোদন, পাঠকের কাছে নির্ভুল খবর পৌঁছে দেওয়াই আমার একমাত্র লক্ষ্য।

সম্পর্কিত খবর

X