বাংলাহান্ট ডেস্ক : গ্রীষ্মের তীব্র তাপপ্রবাহ থেকে মুক্তির স্বাদ নেওয়ার জন্য আপামর বাঙালির প্রথম পছন্দ হলো পাহাড়ি বেড়াতে যাওয়া। পাহাড় বলতে প্রথমে দার্জিলিংয়ের নাম আসে। কিন্তু পুরুলিয়ার (Purulia) অযোধ্যা পাহাড় কিছু কম যায় না। দুই পাহাড়ি অঞ্চলের মধ্যে অবশ্য অনেক পার্থক্য রয়েছে। দার্জিলিংয়ের বর্তমানের হোটেল রিসোর্ট গুলিতে তিন ধরনের জায়গা নেই।
সে দিক থেকে দেখতে গেলে রাজ্যের আরও একটি পাহাড় কেন্দ্রিক পর্যটন কেন্দ্র পুরুলিয়া কিন্তু এখন একটু হলেও ফাঁকা। ভ্রমণ পিপাসা আপামর বাঙালির কাছে পছন্দের ডেস্টিনেশন হলো পুরুলিয়া। একাধিক পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে এখানে। সারা বছর তাইতো পর্যটকদের ভিড় লেগেই থাকে পুরুলিয়া জেলার পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে। রাজ্যে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকরা পুরুলিয়া আসেন। তবে সকল পর্যটকদের মধ্যে কলকাতা থেকে আসা পর্যটকদের সংখ্যা কিন্তু অনেক বেশি।
আরোও পড়ুন : জামনগরে তো হলই! এবার এইখানে আসর বসবে অনন্ত-রাধিকার ‘সেকেন্ড’ প্রি-ওয়েডিংয়ের, ডেট দেখুন
কলকাতা থেকে পুরুলিয়া আসতে গেলে মোটামুটি তিনটি ট্রেন রয়েছে। ওই তিনটি ট্রেনের মধ্যে অন্যতম বলতে হাওড়া চক্রধরপুর এক্সপ্রেস। হাওড়া থেকে প্রত্যেকদিন রাত ১২:০৫ নাগাদ এই ট্রেন ছাড়ে। এই ট্রেনের মধ্যে চেয়ার কার থেকে শুরু করে এসি, নন এসি বিভিন্ন পরিষেবা পাওয়া যায়। তারই মধ্যে এবার নতুন সংযোজন হলেও ফার্স্ট ক্লাস এসি। প্রথমবার ফার্স্ট ক্লাস এসি পরিষেবা চালু হলো পুরুলিয়া চক্রধরপুর এক্সপ্রেসে।
প্রথমবার পুরুলিয়া চক্রধরপুর এক্সপ্রেসে ফার্স্ট ক্লাস এসি পরিষেবা চালু হওয়ার কারণে ভীষণ খুশি যাত্রীরা। এই প্রসঙ্গে উৎফুল্ল যাত্রীরা বলছেন, এই প্রথমবার তারা হাওড়া চক্রধরপুর এক্সপ্রেসে ফাস্ট ক্লাস এসি পরিষেবা পাচ্ছেন। ভীষণই ভালো লাগছে তাদের। খুব ভালো। সবদিক দিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং কমফোর্টেবল জার্নি। এভাবে কখনো পুরুলিয়া যাওয়া হয়নি বলে জানাচ্ছেন। এবার যে লাল মাটির জেলায় কলকাতার পর্যটকদের ভিড় আরো বৃদ্ধি পাবে তা বলাই বাহুল্য।