বাংলাহান্ট ডেস্ক : বলিউডের খ্যাতনামা অভিনেত্রীদের মধ্যে বর্তমানে মাধুরী দীক্ষিত (Madhuri Dixit) অন্যতম। নব্বই দশকের জনপ্রিয় এই নায়িকা সদ্য দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেছেন কেরিয়ারে। মাঝে সুদীর্ঘ বিরতির পর আবারো তিনি ফিরেছেন ক্যামেরার সামনে। সম্প্রতি ‘ভুলভুলাইয়া ৩’তে দেখা গিয়েছে মাধুরীকে (Madhuri Dixit)। কামব্যাক করে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন, এখনো ইন্ডাস্ট্রিতে যথেষ্ট দাপট রয়েছে তাঁর।
ছোট থেকেই নাচে দক্ষ ছিলেন মাধুরী (Madhuri Dixit)
খুব কম বয়সেই বলিউডে সফর শুরু করেছিলেন মাধুরী (Madhuri Dixit)। তাঁর নাচ তাঁকে প্রথম মানুষের নজরে এনে ফেলে। নাচের মাধ্যমেই সিনেমায় কেরিয়ার গড়ার সুযোগ পান তিনি। মাধুরী (Madhuri Dixit) নাচ এবং অভিনয় দিয়ে জনপ্রিয়তার শিখর ছুঁলেও তাঁর বোন রয়ে গিয়েছেন অন্তরালে। অথচ সৌন্দর্য বা প্রতিভা, কোনোদিক দিয়েই অভিনেত্রীর থেকে কম যান না তিনি। কিন্তু লাইমলাইটের আড়ালে থাকায় তাঁর পরিচয় অজানাই থেকে গিয়েছে মানুষের কাছে।
বোনের সঙ্গে ভর্তি হন নাচে: ১৯৬৭ সালে মুম্বইয়ের এক ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্ম মাধুরীর (Madhuri Dixit)। মা বাবার সবথেকে ছোট মেয়ে তিনি। আরো দুই বোন এবং এক দাদা রয়েছে মাধুরীর। অভিনেত্রীর যখন মাত্র ৩-৪ বছর বয়স, তখন থেকেই তিনি নাচে প্রশিক্ষণ নেওয়া শুরু করেন। কত্থক শিখতে বড় বোন রূপার সঙ্গে ভর্তি হয়েছিলেন মাধুরী (Madhuri Dixit), আর অচিরেই ভালোবেসেছিলেন নাচকে। ছোট থেকেই নাচে তাঁর দক্ষতার পরিচয় পাওয়া যেত। বিভিন্ন জায়গায় মঞ্চে পারফর্মও করতেন তিনি।
আরো পড়ুন : “ছেলেরা একাধিক প্রেম করতে পারে, মেয়েরা করলে…”, যোগিতার সঙ্গে দাম্পত্য নিয়ে বেফাঁস মিঠুন!
অভিনয় বেছেছিলেন পড়াশোনার বদলে: আন্ধেরির ডিভাইন চাইল্ড হাইস্কুল থেকে পড়াশোনা শেষ করে মাধুরী (Madhuri Dixit) ভর্তি হয়েছিলেন ভিলে পার্লের কলেজে। কিন্তু পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়া আর হয়ে ওঠেনি তাঁর। কারণ তখন থেকেই তাঁর নাচের দৌলতে ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব আসা শুরু হয়ে গিয়েছিল। শেষমেষ অভিনয়ের কেরিয়ারই বেছে নেন মাধুরী (Madhuri Dixit)। অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন, মাত্র ৯ বছর বয়সে প্রথম কত্থক নাচে স্কলারশিপ পেয়েছিলেন তিনি। কাগজে ছবিও বেরিয়েছিল তাঁর।
আরো পড়ুন : নিষেধাজ্ঞা শিথিল হতেই বলিউডে কামব্যাক ফাওয়াদ খানের, পাক শিল্পীর বিরুদ্ধে ক্ষোভের আগুন মহারাষ্ট্রে
মাধুরী এবং তাঁর বড় বোন রূপা একসঙ্গে নাচে ভর্তি হলেও তিনি অভিনয়ে আসেননি। বরং তাঁর দুই বোনই ভিন্ন ভিন্ন পেশা বেছে নিয়ে বেশ সফল হয়েছেন। রূপা দীক্ষিত পেশায় একজন সফটওয়্যার আর্কিটেক্ট এবং ভারতী দীক্ষিত একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার। দুজনেই যথেষ্ট সুন্দরী এবং প্রতিভাবান হওয়া সত্ত্বেও লাইমলাইট থেকে দূরে থাকতেই পছন্দ করেন।