নেই কোনও কোচিং, নিজের দমেই UPSC-তে সফল ঝাড়গ্রামের মানস, সর্বভারতীয় ব়্যাঙ্ক জানলে হবেন‌ গর্বিত

বাংলা হান্ট ডেস্ক : কিছু করে দেখানোর ইচ্ছা, কাজের প্রতি নিষ্ঠা আর লড়াই করার জেদ থাকলে কোনও বাধাই বাধা নয়। আর এবার সেটাই প্রমাণ করে দেখালেন ঝাড়গ্রাম (Jharkhand) জেলার বাসিন্দা মানস মাহাত (Manas Mahata)। যে সে পরীক্ষা নয়, ইউপিএসসি-র (United Public Service Commission) অ্যাসিস্ট্যান্ট জিওফিক্সিজ পদে চাকরির পরীক্ষায় ১৪তম স্থান অর্জন করেছেন তিনি। তার এই নজীরবিহীন সাফল্যে আনন্দের বন্যা বইছে ঝাড়গ্রামে।

   

এই প্রসঙ্গে মানসকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন,’আমার বাড়িতে প্রচুর বই রয়েছে, ওই বই পড়ে এবং বিষয়ের উপরে দক্ষতাই আমার সফলতা নিয়ে এসেছেন। বইয়ের বিকল্প নেই। শুধুমাত্র বই এবং ইন্টারনেটের সাহায্যে আমি অ্যাসিস্ট্যান্ট জিওফিক্সিজ পদে উর্ত্তীণ হয়েছি। মাত্র দু’নম্বরের জন্য জিওসায়েন্টিস পদে পাইনি। আশাকরি ওখানে ওয়েটিং লিস্টে থাকব।’

বলে রাখা ভালো, এর আগে সিএসআর নেট এবং রাজ্যের সেট পরীক্ষাও এক চুটকিতে ক্লিয়ার করে ফেলেছেন তিনি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, মানসের বাবা চুনারাম মাহাত একজন প্রাক্তন ফুড ইন্সপেক্টর। তার দুই দাদাও রয়েছে বাড়িতে। স্থানীয় চাঁদাবিলা এসসি হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষা পাশ করেন ২০০৮ সালে। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেন ঝাড়গ্রামের বাণীতীর্থ হাইস্কুল থেকে। এরপর তিনি স্নাতক পাশ করেন ঝাড়গ্রাম রাজ কলেজ থেকে।

আরও পড়ুন : বয়সে ছোট বর জয়কে নিয়ে খুশি নন লোপামুদ্রা? দ্বিতীয় বিয়ের ইঙ্গিত দিলেন গায়িকা, তোলপাড় নেটপাড়া

স্নাতক পাশ করে মানস ভর্তি হন আইআইটি খড়গপুরে। প্রথমটা গবেষণা করার কথা ভাবলেও সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন তিনি। সিএসআর নেট এবং রাজ্যের সেট পরীক্ষা পাশ করা সত্বেও শুরু করেন চাকরির প্রস্তুতি। আর ফল মিলল হাতেনাতে। চাকরি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি এমএসসি-তে জিওফিজিক্সের কোনও পেপার পড়িনি। কিন্তু বিষয়টি ভালো লাগাতে আমি নতুন বই কিনে চাকরির পরীক্ষার জন্য পড়তে শুরু করি। এখানে বিষয়ের দক্ষতা ও গভীরতা খুব গুরুত্ব সহকারে দেখা হয়।’

Moumita Mondal
Moumita Mondal

মৌমিতা মণ্ডল, গ্র্যাজুয়েশনের পর শুরু নিয়মিত লেখালেখি। বিগত ৩ বছরেরও বেশি সময় ধরে লেখালেখির সাথে যুক্ত। প্রায় ২ বছর ধরে বাংলা হান্ট-এর কনটেন্ট রাইটার হিসেবে নিযুক্ত।

সম্পর্কিত খবর