ইতিহাস বদলালেন ম্যাক্সওয়েল! রোহিত শর্মাও এমন করেননি যা কামিন্সকে নিয়ে করে দেখালেন ম্যাডম্যাক্স

বাংলা হান্ট নিউজ ডেস্কঃ বিশ্ব ক্রিকেটের ইতিহাসে ওডিআই ফরম্যাটে আজ অবধি কোন ক্রিকেটার রানতাড়া করতে নেমে দ্বিশতরান করেননি। কিন্তু আজ বিশ্বকাপ (2023 ODI World Cup) ছিল ইতিহাস বদলের দিন। অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক প্যাট কামিন্সকে (Pat Cummins) সঙ্গে নিয়ে তাই আজ ইতিহাস বদলে দিলেন অজি অলরাউন্ডার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (Glenn Maxwell)। ওয়ার্নার, মার্শ, স্টোইনিসদের সঙ্গে ব্যাট হাতে ব্যর্থ হওয়ার দিনে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে দ্বিশতরান করে যাবতীয় রেকর্ড বুক নতুন করে লিখলেন ম্যাডম্যাক্স। তার এই নামটি যে এমনি এমনি রাখা হয়নি সেটা আরো একবার প্রমাণ করলেন তিনি।

প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে আফগানিস্তান দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছিল। ইতিহাস তৈরি করে প্রথম আফগান ক্রিকেটার হিসেবে আফগান ওপেনার ইব্রাহিম জাদরান কিছুটা স্বার্থপর ভাবে ব্যাটিং করেই বিশ্বকাপের মঞ্চে শতরান করেছিলেন। শেষদিকে রশিদ খান ৩৫ রানের দুর্দান্ত ক্যামিও খেলেছিলেন রশিদ খান মাত্র ১৮ বলে। সেই সকল বিষয়ের উপর ভর করে অস্ট্রেলিয়ার সামনে ২৯২ রানের টার্গেট রাখতে পেরেছিল।

   

তারপর অস্ট্রেলিয়া ব্যাটিং করতে নেমে ৫০ রানের মধ্যে ৪ এবং ৯১ মধ্যে ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল। ম্যাক্সওয়েল নিজে ব্যাটিং করতে এসেছিলেন হ্যাটট্রিক বলে। ২ টি করে উইকেট পেয়েছেন নবীন উল হক, ওমরজাই ও রশিদ খান। ম্যাক্সওয়েলের দুটি ক্যাচ করেছিল। একবার রিভিউ এর সিদ্ধান্ত আসার আগেই তিনি হাঁটা লাগিয়েছিলেন ড্রেসিংরুমের দিকে। অতীতে একাধিক আগ্রাসী ইনিংস খেলেছেন তিনি। চলতি বিশ্বকাপে ৪০ বলে শতরান করে বিশ্বকাপের ইতিহাসে দ্রুততম শতরান করার রেকর্ডও গড়েছেন এই অজি তারকা।

maxwell 201

আর আজকে যেটা হলো সেটাকে ভাষায় প্রকাশ করার উপায় নেই। হ্যাটট্রিক বলে ব্যাটিং করতে আসা, অত্যন্ত সহজ ক্যাচ হাতছাড়া হওয়া, এলবিডব্লিউ হয়েছে ভেবে নিয়ে রিভিউয়ের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা না করে ড্রেসিংরুমের দিকে হাঁটা লাগানো এবং তারপর ফিরে আসা, শেষ ৪৫ মিনিট বলতে গেলে এক পায়ে ব্যাটিং করা।

আরও পড়ুন: কলকাতায় খেলা হলে বাংলা গানই চলবে! ইডেনে কোহলিদের ম্যাচের পর দাবি গর্গ চ্যাটার্জীর বাংলা পক্ষর

৪৭ ওভারের মধ্যে ম্যাচ জিতে নেয় অস্ট্রেলিয়া। সকল অজি ব‍্যাটার ব্যর্থ হলেও উল্টোদিকে দাঁড়িয়ে ম্যাক্সওয়েলকে একটানা সঙ্গ দিয়ে গিয়েছেন প্যাট কামিন্স। হারের মুখ থেকে ছিনিয়ে এনেছেন জয়। একসময়ের মাঠে পড়ে কাতরাচ্ছিলেন যন্ত্রণায়। এখান থেকে এভাবে যেতে বাকি দলগুলিকে সেমিফাইনালের জন্য বার্তা দিয়ে রাখলেন তিনি। কারণ অস্ট্রেলিয়া যে ইতিমধ্যে সেমিফাইনালে যোগ্যতা অর্জন করে ফেলেছে।

 

Avatar
Reetabrata Deb

সম্পর্কিত খবর