টানা ১৮ দিনের লড়াই শেষ! না ফেরার দেশে চলে গেলেন শক্তি ঘরণী, মায়ের মৃত্যুতে শোকাহত মোনালি

   

বাংলাহান্ট ডেস্ক : কোন মিরাকল হলো না! প্রয়াত হলেন মোনালি ঠাকুরের (Monali Thakur) মা। গত ১৮ দিনের লড়াই শেষ হলো পরাজয়ের মধ্য দিয়েই। না ফেরার দেশে অভিনেতা শক্তি ঠাকুরের স্ত্রী। মায়ের মৃত্যুর খবর সকলের সামনে এনেছেন মোনালির দিদি মেহুলি। করোনাকালে বাবাকে হারিয়েছিলেন এই দুই বোন।

২০২০ সালের অক্টোবরে মৃত্যু হয় অভিনেতা শক্তি ঠাকুরের। এবার মাকে হারালেন তাঁরা। অভিভাবকহীন মোনালি আর মেহুলি। এপ্রিলের শেষ দিকে কলকাতার একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়েছিল মোনালি ঠাকুরের মাকে। দুটো কিডনি কাজ করছিল না। ডায়ালিসিস চলছিল তাঁর। অক্সিজেন লেভেল নেমে গিয়েছিল ৫১ তে।

আরোও পড়ুন : এবার আধার কার্ড থাকলেই হবে বাজিমাত! ফ্রি’তেই পেয়ে যাবেন সিলিন্ডার, দেখুন কীভাবে মিলবে সুবিধা

চারদিন আগে শক্তি ঠাকুরের স্ত্রীকে রাখা হয় বাইপ্যাপ সাপোর্টে। যদিও জবাব দিয়ে দিয়েছিলেন চিকিৎসকরা। ইনস্টাগ্রামে মোনালি ঠাকুর মায়ের লাইফ সাপোর্ট খুলে ফেলার কঠিন সিদ্ধান্তের কথাও জানিয়েছিলেন। মায়ের শারীরিক অসুস্থতার চিন্তা নিয়েও বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার লাইভ কনসার্টে হাজির হয়েছিলেন মোনালি।

আরোও পড়ুন : হরেক আমের হরেক নাম! জানেন, ‘ফলের রাজা’র এমন আলাদা নামকরণের কারণ কী?

মাকে হারিয়ে ফেলার যন্ত্রণা থাকা সত্ত্বেও পেশাদারিত্বের জন্য সেই যন্ত্রণাকে উপেক্ষা করেও মঞ্চে পারফর্ম করতে হয়েছিল তাকে। এদিন নিজের তিনি মাকে উৎসর্গ করেন একটি গান। ওপার বাংলার শ্রোতা দর্শক গায়িকার পেশাদারিত্বকে কুর্নিশ জানিয়েছে। বুধবার রাতে মায়ের মৃত্যু নিশ্চিত জানার পর একরাশ যন্ত্রণার কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরেন মোনালি ঠাকুর।

1715953238 in 2

তিনি লেখেন,”কীভাবে সামলাব এই পরিস্থিতি মা? কীভাবে এই শূন্যতা, এই যন্ত্রণা দূর হবে? মনে হয় মা ক্লান্ত, কিংবা নয়। কিন্তু এটাই সময়, আর আমাকে একটা কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। মায়ের লাইফ সাপোর্ট সরিয়ে দেওয়ার…”। এদিন আবার মোনালির দিদি মেহুলি গোস্বামী ঠাকুর মায়ের মৃত্যুর খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে লেখেন,”শেকল ছিঁড়ে গেছে… অবশেষে কষ্টের অবসান…। দুপুর ২টো বেজে দশ মিনিটে মা স্থির হয়ে গেছে।”

 

Avatar
Soumita

আমি সৌমিতা। বিগত ৩ বছর ধরে কর্মরত ডিজিটাল সংবাদমাধ্যমে। রাজনীতি থেকে শুরু করে ভ্রমণ, ভাইরাল তথ্য থেকে শুরু করে বিনোদন, পাঠকের কাছে নির্ভুল খবর পৌঁছে দেওয়াই আমার একমাত্র লক্ষ্য।

সম্পর্কিত খবর