সস্তায় সমুদ্র সফর! এই বর্ষাতেই ঘুরে আসুন এই ৪ নিরিবিলি  সমুদ্রতট থেকে

Published On:

বাংলা হান্ট ডেস্ক: ঘুরতে যেতে কে না ভালোবাসে! এমনিতে সারাবছর ভ্রমণ পিপাসুদের পায়ের তলায় থাকে সর্ষে! আর ইদানিং পর্যটকদের মধ্যেও বাড়ছে অফবিট (Offbeat) জায়গায় যাওয়ার হুড়োহুড়ি। পাহাড় হোক কিংবা সমুদ্র (Sea Beach) তো প্রকৃতির ছোঁয়া পেলেই নিমেষের মধ্যে হাল্কা হয়ে যায় মন। আর এই ভরা বর্ষায় (Monsoon) সমুদ্রের রূপ থাকে দেখার মতো।

তবে সমুদ্র ঘুরতে যাওয়ার ইচ্ছা হলেই বাঙালির মনে আসে পুরী কিংবা গোয়ার নাম। কলকাতার আশেপাশেও বেশ কিছু সৈকত রয়েছে যার নামই শোনেননি কেউ। এই সমস্ত সমুদ্র সৈকতে (Sea Beach) গেলে এখানকার শান্ত, নিরিবিলি পরিবেশ দেখেই মন জুড়িয়ে যাবে পর্যটকদের। ইঁদুর দৌড়ের ব্যস্ত জীবন থেকে দু-তিনদিনের ছুটি কাটানোর এমনই কয়েকটি সমুদ্র সৈকতের সন্ধান দেওয়া হল।

রইল ৫ অফবিট সমুদ্র সৈকতের (Sea Beach) সন্ধান:

১. লাল কাঁকড়ার বিচ

মন্দারমনি থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরেই রয়েছে লাল কাঁকড়া বিচ। পুরুষোত্তম গ্রামের এই বিচ ইদানিং অফবিট ডেস্টিনেশন হিসাবে বেশ জনপ্রিয়। এখানে গেলেই চোখে পড়ে  লাল কাঁকড়া। কিন্তু সবকিছুকে ছাপিয়ে তবে এখানকার সূর্যাস্ত। এই বিচে যেতে গেলে কলকাতা বা হাওড়া থেকে দীঘাগামী ট্রেনে চেপে যেতে হবে চাউলখোলা স্টেশনে। সেখান থেকেই  অটো কিংবা টোটো চেপেই পৌঁছানো যাবে এই বিচে।

২. ডুবলাগিরি

ওড়িশার এই অফ বিট ডেস্টিনেশনকে অনেকে বাগদা বিচ-ও বলে থাকেন। এই ডুবলাগিরি সমুদ্র সৈকতের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য দেখলেই নিমেষে দূর হয়ে যাবে সমস্ত ক্লান্তি। ডুবলাগিরি নির্জন ঝাউবন, পাখির ডাক সেইসাথে সূর্যাস্ত এখানকার অন্যতম মূল ইউএসপি। হাওড়া স্টেশন থেকে ট্রেনে করে বালেশ্বর গিয়ে সেখান থেকে সহজেই পৌঁছে যাওয়া যাবে  ডুবলাগিরি। তবে গাড়িতে গেলে সময় লাগবে ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা।

আরও পড়ুন: নিমেষে দূর হবে ক্লান্তি! ভারতের এই ৫ অচেনা শহরে গেলেই আর ফিরতে চাইবে না মন

৩. যমুনাসল

ওডিশার আরও একটি অফবিট সমুদ্র হল যমুনাসল। এখানকার শান্ত পরিবেশ আর সমুদ্রের গর্জন শুনলেই দূর হয়ে যাবে সমস্ত ক্লান্তি। এছাড়াও রাতে ক্যাম্পিংয়ের ব্যবস্থাও রয়েছে। এই বিচে পৌঁছাতে গেলে হাওড়া স্টেশন থেকে ট্রেনে করে প্রথমে যেতে হবে বাস্তার স্টেশন। সেখান থেকে মাত্র ৩১ কিলোমিটার দূরেই রয়েছে যমুনাসল সৈকত।

৪. লালগঞ্জ সমুদ্র সৈকত

নামখানা থেকে সামান্য দূরে রয়েছে আরও একটি অফবিট সমুদ্র সৈকত লালগঞ্জ। যাদের হাতে সময় কম তারা হুট করে প্ল্যান করেই পৌঁছে যেতে পারেন এই সমুদ্র সৈকতে। শুনতে অবাক লাগলেও কলকাতা থেকে এই বিচের দূরত্ব মাত্র ১২০ কিলোমিটার। ট্রেনে চেপে নামখানা স্টেশন নেমে সেখান থেকে টোটো ধরলেই পৌঁছানো যাবে  লালগঞ্জ সমুদ্র সৈকত।

Anita Dutta

অনিতা দত্ত, বাংলা হান্টের কনটেন্ট রাইটার। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৪ বছরের বেশি সময় ধরে সাংবাদিকতা পেশার সাথে যুক্ত।

সম্পর্কিত খবর

X