কিসের জোট? বাংলায় তৃণমূলের সঙ্গে যেতে হাত তুললেন কংগ্রেসের মাত্র একজন, তুমুল চৰ্চা

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন (Loksabha Election)। শাসক থেকে বিরোধী বর্তমানে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছে সমস্ত রাজনৈতিক দল। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে এবারের ভোটে এনডিএ (NDA) ভার্সাস ইন্ডিয়া (I.N.D.I.A)। গত মঙ্গলবার ১৯ ডিসেম্বর ছিল বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক (INDIA Alliance Meeting)। সেই বৈঠকেও যোগ দেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Mamata Banerjee)। সেখানেই উঠে আসে আসন সমঝোতা নিয়ে একাধিক ভিন্নমত।

   

যদিও বিরোধী মহা জোটের মেগা বৈঠকের আগের দিন অর্থাৎ গত সোমবার দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠকে করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাফ বুঝিয়ে দেন আসন নিয়ে সমঝোতায় তার অসুবিধা নেই। রাজ্যে কংগ্রেসের (Congress) সাথে জোটের সম্ভাবনা নিয়েও আগ্রহ দেখান মমতা। বলেন, ‘তারা যদি সত্যিই চায় তাহলে আমার কোনো সমস্যা নেই। সবাই একসাথে মিলেই কাজ করব। আমার কারোও সঙ্গে যেতেই কোনও সমস্যা নেই।’

তবে মমতার কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নিয়ে সমস্যা না থাকলেও আদেও কি কংগ্রেস তৃণমূলের সঙ্গে আসন সমঝোতায় যেতে প্রস্তুত? তৃণমূলের সঙ্গে জোট হলে কিভাবে আসন রফা হবে? এই নিয়ে দিল্লিতে কংগ্রেসের সঙ্গে বৈঠকে প্রদেশ কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন রাহুল গান্ধী। বুধবার পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের নেতাদের বৈঠকে ডেকেছিল সর্বোচ্চ নেতৃত্ব। সেখানে রাহুল বলেন, ‘কারা তৃণমূলের সঙ্গে জোট চান হাত তুলুন’। আর রাহুলের প্রশ্ন শুনে হাত তুললেন মাত্র এক জন।

বাংলায় তৃণমূলের সঙ্গে জোটের পক্ষে পশ্চিমবঙ্গ কংগ্রেস সেবাদলের চেয়ারম্যান রাহুল পাণ্ডের, এমনটাই সূত্র মারফত জানা গিয়েছে। ‘মমতার দয়ায় লড়তে চাই না।’ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। বৈঠকে সাংসদ বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে কখনও সিপিএম, কখনও তৃণমূল এবং বিজেপির সঙ্গে লড়াই করে জিতে এসেছি। আমি ফের কঠিন লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত। তবে তৃণমূলের সঙ্গে জোট না।

mamata adhir

আরও পড়ুন: দলবদলু বায়রনের বাড়িতে আয়কর হানার পেছনে কার হাত? পরিচয় জানলে চমকে উঠবেন

অধীর আরও বলেন,’ বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেসের সংগঠনের যা ক্ষতি করেছে তা আর কেউ করেনি।’ বৈঠকে ভিন্ন মত উঠে এলেও পশ্চিমবঙ্গে বামফ্রন্ট বা সিপিএম নেতৃত্বের সঙ্গে জোট অক্ষত রাখার পক্ষেই সওয়াল করেছেন অধিকাংশ। সূত্র মারফত এমনটাই জানা গিয়েছে। যদিও তৃণমূলের সঙ্গে জোট নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলের হাইকম্যান্ডের ওপরই ছেড়ে দিয়েছেন প্রদেশ নেতারা।