বাংলা হান্ট ডেস্ক: ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে অযোধ্যায় নবনির্মিত রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) উদ্বোধন। পাশাপাশি, সম্পন্ন হয়েছে রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠাও। সবথেকে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই বিশাল রাম মন্দির নির্মাণ এবং রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রশংসা পাচ্ছে ভারত (India)। কিন্তু পাকিস্তানই (Pakistan) একমাত্র দেশ যেটি ভারতের পবিত্র তীর্থস্থান সম্পর্কে ইতিমধ্যেই লজ্জাজনক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে।
নিন্দা জানিয়েছে পাকিস্তান: মূলত, অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের নিন্দা করেছে “কাঙাল” পাকিস্তান। শুধু তাই নয়, ওই দেশের বিদেশ কার্যালয় এক বিবৃতিতে বলেছে যে, এই ঘটনা হল ভারতের ক্রমবর্ধমান সংখ্যাগরিষ্ঠতার লক্ষণ। পাশাপাশি সেখানে বলা হয়েছে, “একদল চরমপন্থী” বাবরি মসজিদ ভেঙে দিয়েছে। দুর্ভাগ্যবশত, ভারতের সুপ্রিম কোর্ট শুধু এই জঘন্য কাজের জন্য দায়ী অপরাধীদের বেকসুর খালাস করেনি, বরং ভেঙে ফেলা মসজিদের জায়গায় একটি মন্দির নির্মাণের অনুমতিও দিয়েছে।
🔊: PR NO. 2️⃣4️⃣/2️⃣0️⃣2️⃣4️⃣
Pakistan Condemns Consecration of the ‘Ram Temple’ on the Site of Demolished Babri Mosque
🔗⬇️https://t.co/s3zJmZMhzN pic.twitter.com/X5rYshPxDu
— Ministry of Foreign Affairs – Pakistan (@ForeignOfficePk) January 22, 2024
ভারতীয় মুসলমানদের উস্কে দেওয়ার চেষ্টা: পাশাপাশি, পাকিস্তান ভারতীয় মুসলমানদের উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করেছে। পাকিস্তান বলেছে যে এই ঘটনা ভারতীয় মুসলমানদের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করার চলমান প্রচেষ্টাকে প্রতিফলিত করে। পাকিস্তান দাবি করেছে যে, বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদ এবং মথুরার শাহী ইদগাহ মসজিদ সহ এহেন মসজিদগুলির তালিকা ক্রমশ বাড়ছে। যেগুলি অপবিত্রতা এবং ধ্বংসের মতো হুমকির সম্মুখীন হয়েছে।
এই প্রসঙ্গে জানিয়ে রাখি যে, অযোধ্যায় রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পরে, “সিয়াবর রামচন্দ্র কি জয়” এবং “জয় শ্রী রাম” স্লোগান দিয়ে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানান যে, ২২ জানুয়ারি ২০২৪-এর এই সূর্য একটি দুর্দান্ত আভা নিয়ে এসেছে এবং সেটি হল একটি নতুন যুগের সূচনা। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের রামলালা আর তাঁবুতে থাকবেন না। আমাদের রামলালা এখন এই মন্দিরে থাকবেন। আজ আমাদের রাম এসেছেন। আমার দৃঢ় বিশ্বাস ও অগাধ শ্রদ্ধা যে যাই ঘটুক না কেন, দেশ ও বিশ্বের প্রতিটি কোণে রামের ভক্তরা অবশ্যই তা অনুভব করছেন।”
আরও পড়ুন: আজ রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা না হলে আগামী ২২ বছরে মিলত না এই বিশেষ মুহূর্ত! কিভাবে নির্ধারিত হল সময়?
“….এই মুহূর্তটি সবথেকে পবিত্র”: প্রধানমন্ত্রী আরও জানান যে, আজকের দিনটি ক্যালেন্ডারে লেখা কোনো তারিখ নয় বরং একটি নতুন সময়ের চক্রের উৎস। তিনি জানান, “এই মুহূর্তটি অতিপ্রাকৃত, এই মুহূর্তটি সবচেয়ে পবিত্র।” প্রধানমন্ত্রীর মতে, “আজ আমিও ভগবান শ্রী রামের কাছে ক্ষমা চাই। আমাদের প্রচেষ্টায় অবশ্যই কিছুর অভাব আছে, আমাদের তপস্যাতেও কিছু অভাব আছে। একটা ঘাটতি ছিল যে, আমরা এত শতাব্দী ধরে মন্দির তৈরি করতে পারিনি… আজ সেই অভাব পূরণ হয়েছে।”