টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গকলকাতা

বৃষ্টি থামার পরও কমছে না এলাকার জল, ম্যানহোলে ডুবুরি নামাতেই চক্ষু চড়কগাছ পুরসভার কর্মীদের

বাংলাহান্ট ডেস্কঃ টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন শহরতলি। বৃষ্টি থেমে গেলেও, কিছুতেই কমছে না জমে থাকা জল। অগত্যা ড্রেনের ভিতর কি রয়েছে তা দেখতে ডুবিরি নামাতে হল কলকাতা (kolkata) পুরসভার ড্রেনে। আর ড্রেনে নামতেই চক্ষুচড়ক গাছ ডুবুরির! কি রয়েছে এগুলো ড্রেনের ভেতর?

ঘটনাটি ঘটেছে পুরসভার বোরো ১৫ এর বিস্তীর্ণ এলাকায়। সামান্য বৃষ্টিতেই কলকাতার বেশকিছু এলাকা জলমগ্ন হয়ে পড়ে। আর এবারে টানা বৃষ্টির জেরে, বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায়। কিন্তু বৃষ্টি থেমে গেলেও, জল কিছুতেই কমার নাম নিচ্ছিল না এই এলাকায়। নিকাশি ব্যবস্থা থাকার পর এমনটা হওয়ায়, দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল কলকাতা পুরসভা লাগোয়া মহেশতলা পুরসভা এলাকার বাসিন্দাদেরও।

বর্ষার জল না কমার কারণ খতিয়ে দেখতে, রবিবার কলকাতা পুরসভার 80 নম্বর ওয়ার্ড এবং মহেশতলা পুরসভার এক নম্বর ওয়ার্ড সংলগ্ন রামনগরের টি জি রোডের অপর একাধিক জায়গাযর ম্যানহোল খুলে ডুবুরি নামিয়ে দেখা হয় ভেতরে কি হয়েছে। আর সেখানে গিয়েই চক্ষু চড়কগাছ ডুবুরিদের।

কলকাতা পুরসভার প্রশাসক মন্ডলীর অন্যতম সদস্য তারক সিং জানিয়েছেন, ‘কিছু নির্দিষ্ট এলাকার জল না কমার কারণ খুঁজতে গিয়ে অবাক হয়ে যাই আমরা। ১৬টি বালির বস্তা উদ্ধার করা হয় একটি ম্যানহোল থেকে। লেপ, তোষক, বালিশ উদ্ধার করা হয় অন্য আর একটি থেকে। আর বাকি ম্যানহোল গুলো থেকে পাওয়া গিয়েছে প্রচুর পরিমাণে ইট। পুরসভার ডুবরি শহিদুল মোল্লার কথায়, এই সমস্ত জিনিস ভেতরে দুফুট মত পাইপের মধ্যে আটকে ছিল’।

এই ঘটনায় হতবাক হয়ে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়েও জানিয়েছেন তারক সিং। তিনি বলেন, ‘এবিষয়ে চেয়ারম্যানের কাছে রিপোর্ট জমা দেব আমি। এনকোয়ারি কমিটি গঠন করে, এই আজ যারা করেছে, তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে’।

Related Articles

Back to top button