নামজাদা পুজোয় জাঁকজমক বেশি, অচেনা মণ্ডপই বেশি আপন হয়ে উঠল ঐন্দ্রিলা-সব‍্যসাচীর কাছে

Published On:

বাংলাহান্ট ডেস্ক: হাল আমলে ক্ষণিকের প্রেমের যুগে নিদর্শন হয়ে দাঁড়িয়েছে ঐন্দ্রিলা শর্মা (aindrila sharma) ও সব‍্যসাচী চৌধুরীর (sabyasachi chowdhury) সম্পর্ক। বন্ধুত্ব থেকে সম্পর্ক গড়িয়েছে প্রেমে। অভিনেত্রীর অসুস্থতার খবর পেয়ে ছেড়ে যাননি, বরং আরো আগলে ধরেছেন। বামাক্ষ‍্যাপা অভিনেতার প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেটপাড়ার সকলেই। এবার পুজোটা বাড়িতেই কাটাবেন বলে জানিয়েছিলেন ঐন্দ্রিলা।

কিন্তু প্রেমিকার মন খারাপ হতে দেননি সব‍্যসাচী। বরং তাঁর আবদার পূরণ করেছেন তিনি। নিজের ফেসবুক হ‍্যান্ডেলে ঐন্দ্রিলার সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেছেন সব‍্যসাচী। দূর্গাপ্রতিমার সামনে বিভোর হয়ে তাকিয়ে দুজনে। সঙ্গে একটি লম্বা পোস্ট শেয়ার করেছেন তিনি।


সঙ্গে লিখেছেন, ‘বায়না করেছিল যে পুজোর ছুটিতে আমি বাড়ি যাওয়ার আগে একটা ঠাকুর দেখাতেই হবে। ঐন্দ্রিলার শরীর একটু ভালো থাকাতে, ভয়ে ভয়ে নিয়ে গিয়েছিলাম দক্ষিণ কলকাতার দুই নামকরা পূজা মণ্ডপে। অজস্র মানুষের মিছিল, ব্যারিকেড আর ‘নো পার্কিং’ এর স্রোতে ঘেমেনেয়ে হতাশ হয়ে বললো “ধুর, বাড়ি নিয়ে চলো, ঠাকুরকেই তো দেখতে পাচ্ছি না।”

কিন্তু বিফল মনোরথ হয়ে ফিরতে হয়নি ঐন্দ্রিলা সব‍্যসাচীকে। অভিনেতা লিখেছেন, ‘ফেরার পথে এক অচেনা পাড়ার মোড়ে এই ক্ষুদ্র নামহীন প্যান্ডেলটি দেখে একেবারে সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। মধ্যরাতে, মানুষ তো দূরের কথা, কাক পক্ষীও নেই। তবে এই বিগ্রহের কোনো থিম নেই, চাকচিক্য নেই, আড়ম্বর নেই। বড়ই সাদামাটা, বড়ই আটপৌরে, ঠিক যেন মায়ের মতন।’

এর আগে ঐন্দ্রিলা জানিয়েছিলেন ৬ অক্টোবর, মহালয়ার দিনই কেমোথেরাপির তারিখ পড়েছে তাঁর। তাই কিছুটা ভয়ে ভয়ে আছেন তিনি। যদি পুজোর সময়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন? তবে আনন্দবাজার অনলাইনকে ঐন্দ্রিলা জানান, এ বছরে যদি মজা না ও হয় তাহলেও কুছ পরোয়া নেই। আসছে বছর আবার হবে।


এই ঐন্দ্রিলাই নাকি গত বছরের আগে পর্যন্ত পুজোয় বাড়িতে থাকতে চাইতেন না। অভিনেত্রীর দেশের বাড়ি মুর্শিদাবাদে পুজো হয়। সপরিবারে সেখানেই কাটাতেন পুজোর কটা দিন। সারাদিন বন্ধুদের সঙ্গে বাইরে বাইরেই ঘুরে কাটত তাঁর। মাঝে শুধু পোশাক বদলানোর জন‍্য বাড়িতে আসতেন।

কিন্তু করোনা বদলে দিয়েছে সবটাই।
এ বছরে তাই বাবা মা, দিদি, বন্ধু বান্ধবদের সঙ্গে বাড়িতেই জমিয়ে আড্ডা দেবেন বলে জানিয়েছিলেন ঐন্দ্রিলা। সঙ্গে প্রেমিক সব‍্যসাচী চৌধুরী তো আছেই। তিনিই নাকি ঐন্দ্রিলার প্রথম প্রেম। পুজোর কদিন দিদির হাতের ভালমন্দ কিছু রান্নাও খাওয়া হবে বলে জানিয়েছিলেন ঐন্দ্রিলা।

সম্পর্কিত খবর

X