টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গবিধানসভা নির্বাচন

“শিবলিঙ্গে কন্ডোম পরিয়ে এখন শ্যামা মায়ের পুজো”- সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল ট্রোলড সায়নী ঘোষ

শিবলিঙ্গে কন্ডোম পরানোর ছবিকে কেন্দ্র করে জোর বিতর্কে জড়িয়েছিলেন সায়নী ঘোষ। এখন তৃণমূল কংগ্রেসের থেকে টিকিট পাওয়ার পর আবারও সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলের শিকার হচ্ছেন অভিনেত্রী। আসলে তৃণমূল কংগ্রেস সায়নী ঘোষকে আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্রের টিকিট দিয়েছে। সেই মতো সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন লাগাতার নিজের প্রচার করতে দেখা যাচ্ছে সায়নী ঘোষ।

তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে আরো বেশি মাত্রায় ট্রোলের মুখোমুখি হচ্ছেন সায়নী ঘোষ। সম্প্রতি শ্যামা মায়ের পুজোর ছবি পোস্ট করেছেন সায়নী ঘোষ। ছবি পোস্ট করার সাথে সাথে তিনি “LetTheJourneyBegin” হ্যাশট্যাগ দিয়েছেন।

তবে সায়নী ঘোষের এই পোস্টকে অনেকেই ড্যামেজ কন্ট্রোল করার চেষ্টা বলে কটাক্ষ করেছেন। সায়নী ঘোষের পোস্টের উপর কারার জবাব নামের এক ইউজার কমেন্টে লিখেছেন,
“যেদিন হারাবেন, আবার মায়ের পায়ে মাথা পেতে ক্ষমা চেয়ে নেবেন। নোংরামি করে পপুলারিটি পাওয়া যায়, কিন্তু সেটা ক্ষণস্থায়ী হয়।”

শুভ দে লিখেছেন, “শিব ঠাকুরকে অপমান শ্যামা মা অত সহজে ভুলবে না। এটা আপনার দল না যে ঘুষ আর কাটমানি দিলেই সব কিছু হয়ে যাবে। সমস্ত পাপের ফল শ্যামা মা সুদে আসলে ফেরত দেবেন। তখন পিসির কোলে বসে বিষ্ণু মাতার নাম নেবেন। তাতে যদি পাপ খানিক কমে।‌”

মামনি নামের এক ইউজার লিখেছেন, “ভগবানের সাথে আপনার ছবি সত্যিই হাস্যকর।” অভিজিৎ সাধু লিখেছেন, “তুমি অবিবাহিত সেজন্য জানা নেই। স্বামীর অপমান স্ত্রী কখনও মেনে নেয় না। মানুষ বা ভগবান যেই হোক।”

দেবলীনা লিখেছেন, “এ মা এ কি এনার বর মানে সরি এনার অন্য রূপ স্বয়ং মা দুর্গার স্বামী কে নিয়ে না খিল্লি করলেন… একি আপনি তো যখন তখন পালটে যান। শ্যামা মা কিন্তু পাপ দেবে।”

সনাতনী ওয়ারীয়র নামে একজন লিখেছেন , ” কোনো হিন্দু যদি এনকে ভোট দেন তাহলে সেটা আত্মহত্যা করা হবে।” হিন্দুস্তানী নামের এক ইউজার লিখেছেন, ” মাথায় হিজাব পরে মাজার, মসজিদে যাওয়া শুরু করুন, পারলে নামাজ, সাথে ইসলামি শব্দ বলা অভ্যেস করুন যেমন দোয়া,তাছাড়া তৃণমূল করতে হলে করতেই হবে ওসব পূজো অর্চনা আপনার জন্য না, হিন্দুদের অপমান করে এইসব নাটক করে ড্যামেজ কন্ট্রোল লাভ হবেনা,100% হারবেন।

Back to top button