বাংলাহান্ট ডেস্ক : মাসের শেষ দিনে মাথায় হাত লগ্নিকারীদের। শুক্রবার কার্যত ধস নামল শেয়ার বাজারে (Share Market)। এক ধাক্কায় প্রায় দু শতাংশ পড়েছে সেনসেক্স এবং নিফটির সূচক। গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে সর্বোচ্চ সীমায় উঠেছিল সেনসেক্স এবং নিফটি। সেখান থেকে ১৬ শতাংশ নেমে গিয়েছে শেয়ার বাজার (Share Market)। উপরন্তু অবস্থার দ্রুত উন্নতি হওয়ার কোনো আশাই আপাতত দিচ্ছেন না আর্থিক বিশেষজ্ঞরা।
মাসের শেষে রক্ত ঝরল শেয়ার বাজারে (Share Market)
২৮ শে ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার ৭৩,১৯৮.১০ পয়েন্টে বন্ধ হয়েছে বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জ। বাজারের সেনসেক্স নেমেছে ১৪১৪.৩৩ পয়েন্ট। সকালে বাজার (Share Market) খুলেছিল ৭৪,২০১.৭৭ পয়েন্টে। সারা দিনে সর্বোচ্চ ৭৪,২৮২.৪৩ পয়েন্ট উঠেছিল সূচক। অন্যদিকে ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জ খুলেছিল ২২,৪৩৩.৪০ পয়েন্টে। আর বাজার বন্ধ হয়েছে ২২,১২৪.৭০ পয়েন্টে। মোট সূচকের পতন হয়েছে ৪২০.৩৫ পয়েন্ট অর্থাৎ ১.৮৬ শতাংশ। সর্বোচ্চ ২২,৪৫০ পয়েন্ট সূচক উঠেছিল এদিন।
কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা: তথ্য বলছে, চলতি মাসে সেনসেক্স এবং নিফটি প্রায় সাড়ে ৫ শতাংশ করে কমেছে। টানা ৫ মাস একভাবে নিম্নমুখী থেকেছে বাজার, যা ঘটল প্রায় ২৯ বছর পর। শেয়ার বাজার (Share Market) বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে ছোট এবং মাঝারি পুঁজির সংস্থাগুলির শেয়ারের দাম হ্রাস পেয়েছে গড়ে ২ শতাংশ। আসলে বিদেশি লগ্নিকারীরা (Share Market) মূলত তথ্যপ্রযুক্তি এবং আর্থিক সংস্থাগুলির স্টকে সবথেকে বেশি বিনিয়োগ করে থাকে। তারা টাকা তুলে নিতেই সূচক নেমেছে এনএসই-র। নিফটি ৫০-তে লগ্নিকারীদের লোকসানের পেছনে এটাই কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
আরো পড়ুন : ‘দলই শেষ কথা’! আলাদা নেতার নামে পোস্ট? খুঁটিয়ে ফেসবুক দেখেন মমতা
কত পড়ল সূচক: এদিন সবথেকে বেশি লোকসান হয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার শেয়ারে। নিফটি আইটির সূচক (Share Market) নেমেছে ৪.২ শতাংশ। নিফটি অটো নেমেছে ৩.৯ এবং নিফটি মিডিয়া নেমেছে ৩.৫ শতাংশ। এছাড়াও নিফটিতে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শেয়ারে ২.৮ শতাংশ, ভোগ্যপণ্য সংস্থার স্টকের ২.৬ শতাংশ এবং স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সংস্থার স্টকের দাম কমেছে ২.২ শতাংশ।
আরো পড়ুন : রাতারাতি বদলে গেল দুই নায়িকা! ফের নতুন মুখের এন্ট্রি জলসার জনপ্রিয় সিরিয়ালে
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির জন্যই শেয়ার বাজারে (Share Market) এমন ধস নেমেছে। ফলত বিদেশি লগ্নিকারীরা সরে দাঁড়াচ্ছেন ভারতীয় বাজার থেকে। আবার এপ্রিলে পারম্পরিক শুল্ক নীতি চালু করতে পারেন ট্রাম্প। ফলত মার্চেও বাজারের পরিস্থিতি খুব একটা ভালো থাকবে বলে আশা করছেন না বিশেষজ্ঞরা।