মা দূর্গাকে সাক্ষী রেখে বৈশাখীর সিঁথিতে সিঁদুর তুলে দিলেন শোভন, অধ‍্যাপিকা বললেন, ‘স্বীকৃতির অভাব কোনোদিন ছিল না’

Last Updated:

বাংলাহান্ট ডেস্ক: শেষমেষ সব জল্পনার অবসান ঘটল। সকলের সামনে বান্ধবী বৈশাখী বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়ের (baishakhi banerjee) সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দিলেন শোভন চট্টোপাধ‍্যায় (sovan chatterjee)। সাক্ষী থাকল সংবাদ মাধ‍্যমের ক‍্যামেরা। তবে এখন আর বৈশাখীকে শুধুই বান্ধবী বলা চলে না। তিনি এখন আনুষ্ঠানিক ভাবে শোভনের স্ত্রী। যদিও প্রাক্তন স্ত্রী রত্না চট্টোপাধ‍্যায়ের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ টা এখনো হয়নি শোভনের।

রাজনৈতিক মহলে এই মুহূর্তে সবথেকে চর্চিত জূটি শোভন বৈশাখী। এখন আর কোনো রাজনৈতিক দলে না থাকলেও বারংবার লাইমলাইটে উঠে আসেন তাঁরা। কখনো তা তা থৈথৈ নেচে, কখনো একে অপরের বিষয়ে প্রেমের কথা বলে সকলের নজর কেড়ে নেন। বিতর্ক, সমালোচনাও কম হয় না। কিন্তু ওই যে বলে, ‘পেয়ার কিয়া তো ডরনা কেয়া?’


সে কথা মাথায় রেখেই সকলের সামনে বৈশাখী্য সিঁথি রাঙিয়ে দিলেন শোভন। বিজয়া দশমীর দিন পুজো মণ্ডপে সিঁদুর খেলার ফাঁকে শোভনের হাতের সিঁদুর উঠল বৈশাখীর সিঁথিতে। অধ‍্যাপিকা বলেন, “আমাদের মধ‍্যে কোনো স্বীকৃতির অভাব ছিল না। যেটা ছিল না সেটা সমাজের স্বীকৃতি। এখন সমাজ দেখছে যে আমাদেয মধ‍্যে সততার কোনো অভাব ছিল না। আমরা দুটো সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে এসে, দুটো প্রাণহীন সম্পর্ককে শেষ করে আমাদের যেখানে আনন্দ সেই আশ্রয়টা খুঁজে নিয়েছি।”

বৈশাখী আরো বলেন, আজ মানুষ এটা দেখল বলে তাদের কাছে নতুন লাগছে। কিন্তু শোভন জানেন তিনি স্বীকৃতি না পেলে কোনো সম্পর্ক গড়ে তোলেন না। তিনি সেই ধরনের মানুষই নন। তাঁরা খুবই স্বাভাবিক মানুষ। স্বাভাবিক ভাবেই জীবনযাপন করেন।

কিছুদিন আগেই বৈশাখী ঘোষনা করেন স্বামী মনোজিতের কাছ থেকে ডিভোর্স চেয়েছেন তিনি। কারণ স্বামী অন‍্য সম্পর্কে জড়িয়েছেন। তার পরপরই নিজের বাড়ি বান্ধবী বৈশাখীর নামে লিখে দিয়েছেন শোভন। সব মিলিয়ে জুটিতে দিব‍্যি আনন্দে রয়েছেন শোভন বৈশাখী।

সম্পর্কিত খবর

X