বাংলা হান্ট ডেস্কঃ হাইকোর্টের নির্দেশের জেরে বিপাকে পড়েছিলেন সরকারি কর্মীদের (Government Employees) একাংশ। জল গড়ায় সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) অবধি। শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন ক্ষুব্ধ এবং বিপাকে পড়া সরকারি কর্মচারীদের একটি অংশ। এবার উচ্চ আদালতের নির্দেশ খারিজ করে তাঁদের পক্ষে রায় দিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট।
কী নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)?
রাজ্যের হাসপাতালগুলির হাল ফেরানোর জন্য ২০১৮ সালে বেশ কিছু সংস্কারমুখী পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেছিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। সেই সঙ্গেই উচ্চ আদালতের তরফ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়, উত্তরপ্রদেশের সরকারি কর্তা এবং কর্মীদের সরকারি হাসপাতাল (Government Hospital) থেকেই চিকিৎসা করাতে হবে। উচ্চ আদালতের এহেন নির্দেশের জেরে বিপাকে পড়েন বহু সরকারি কর্তা ও কর্মী।
সোজা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন ক্ষুব্ধ, চাপে পড়া সরকারি কর্মচারীদের একটি অংশ। এবার সেই মামলাতেই হাইকোর্টের নির্দেশ খারিজ করে দিলেন প্রধান বিচারপতি সঞ্জীব খান্না (CJI Sanjiv Khanna) এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমার। এর ফলে স্বস্তি পেলেন সরকারি কর্তা ও কর্মীরা।
আরও পড়ুনঃ ‘ভবিষ্যতে লন্ডনের থেকেও উন্নত হবে কলকাতা’! মেয়র ফিরহাদের দাবিতে তোলপাড়
সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে বলা হয়েছে, এই ধরণের নির্দেশের ফলে সরকারি নীতিগত সিদ্ধান্তে হস্তক্ষেপ করা হয়েছে ও রোগীর চিকিৎসা পরিষেবা পাওয়া সম্বন্ধিত এক্তিয়ারে হস্তক্ষেপ করা হয়েছে।
শীর্ষ আদালত (Supreme Court) জানিয়েছে, রাজ্যের হাসপাতালগুলির পরিস্থিতির উন্নয়ন অবশ্যই হওয়া উচিত। এই প্রসঙ্গে কোনও সন্দেহ নেই। যদি এমন উদ্দেশ্যই হয়ে থাকে, তাহলে সেটা ভালো। তবে সেই কারণে দেওয়া নির্দেশের পাশাপাশি কাউকে নির্দিষ্ট কোনও হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা করাতে বাধ্য করা যায় না। স্পষ্ট জানিয়েছেন সিজেআই সঞ্জীব খান্না এবং বিচারপতি সঞ্জয় কুমার। সুপ্রিম কোর্টের এই পর্যবেক্ষণের ফলে ওই রাজ্যের বহু সরকারি কর্তা এবং কর্মচারীদের সুরাহা হল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।