বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বছর ঘুরলেই বাংলায় বিধানসভা ভোট। তার আগে ভূতুড়ে ভোটার নিয়ে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। বৃহস্পতিবার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) সভা ছিল। সেখান থেকে এই বিষয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এবার পাল্টা দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।
শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) দাবিতে শোরগোল!
গতকাল ভূতুড়ে ভোটার নিয়ে সুর চড়িয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার পাল্টা কমিশনে গেলেন শুভেন্দু। ‘ভূতুড়ে ভোটারদের নাম তোলা নিয়ে ARO-দের হুমকি মুখ্যমন্ত্রীর। ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে ARO, DM-দের ভয় দেখাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী’।
জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই CEO অফিসে গিয়ে এই নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নালিশ ঠুকেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। এর পাশাপাশি CEC নিয়েও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে বদনাম করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। রেশন কার্ডের মতো আধার-এপিক বায়োমেট্রিক লিঙ্কের দাবিও জানিয়েছেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক।
আরও পড়ুনঃ ‘জেলে থাকুক ওজন কমে যাবে’! জামিন খারিজ করে নজিরবিহীন মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের! কোন মামলায়?
শুভেন্দু বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে ভূতুড়ে ভোটারের নাম তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। রোহিঙ্গা মুসলিম, বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার লিস্টে নাম তুলেছে তৃণমূল। ৯ সীমান্তবর্তী জেলায় অবৈধ, ভুয়ো ভোটারদের নাম তুলেছে তৃণমূল। সেই কারণে আধার ও এপিক লিঙ্ক করে রেশন দোকানের মতো বায়োমেট্রিক মেশিন নিয়ে বাংলায় ভোট করতে হবে। এটা জন সাধারণের দাবি’।
এখানেই না থেমে বিজেপি (BJP) বিধায়ক আরও দাবি করেন, ‘এখানে লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা ভোট দেয়। তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দেয়। ARO, DM-দের কাল মুখ্যমন্ত্রী ধমকেছেন। ধমকাতে পারেন না। ভোটার লিস্ট, এপিক কার্ড নির্বাচন কমিশনের অধীন। নবান্ন থেকে পরিচালিত হতে পারে না’।
শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, ‘বাংলায় ত্রুটিহীন নির্বাচন করাতে হলে, অবিলম্বে এপিক আধার লিঙ্ক করুন। রেশন দোকানে বায়োমেট্রিক দিয়েছেন। ভারত সরকার সব বুথে ভিভিপ্যাট দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে শুরু হোক। সব বুথে বায়োমেট্রিক মেশিন আর আধার এপিক লিঙ্ক- সব ঝামেলা মিটে যাবে’।