সেনা ফেরানোর আল্টিমেটামের পর আমেরিকাকে আরও একটা হুমকি আলিবানের, চিন্তায় বাইডেন

Published On:

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ গত ২২ আগস্ট মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জানিয়েছিলেন, দরকারে কাবুলের সেনা অবস্থান ৩১ আগস্টের পরেও বাড়ানোর কথা চিন্তা ভাবনা করতে পারেন তারা। এমনকি ব্রিটিশ প্রেসিডেন্ট বরিস জনসনও চাইছিলেন এমনটাই। তিনি এ বিষয়ে বাইডেনের সাথে আলোচনার কথাও জানিয়েছিলেন। কিন্তু এরই মাঝে তালিবান প্রবক্তা সোহেল শাহিন জানিয়ে দেন ৩১ আগস্ট ডেডলাইন, আর তা কখনই বাড়ানো হবে না। অর্থাৎ ৩১ আগস্টের মধ্যেই কাবুল বিমানবন্দর থেকে সেনা সরিয়ে নিতে হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে।

এই বার্তা সামনে এসেছিল গতকাল। আজ ফের একবার আমেরিকাকে একই ভাবে সতর্ক করল তালিবান। মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “আমরা আফগানিস্তানে আমেরিকান সেনাদের উপস্থিতির সময়সীমা বাড়াবো না।” শুধু তাই নয় সাথে সাথে পেশাদার আফগানদের দেশ থেকে যাতে না সরানো হয় সে ব্যাপারেও আমেরিকাকে কড়া বার্তা দিলেন তিনি। তিনি পরিষ্কার জানান, আমেরিকার উচিত আফগানদের দেশ ত্যাগ করতে উৎসাহিত না করা। বাস্তবে পরিস্থিতি অবশ্য কিছুটা অন্যরকম বলেই মত বিশেষজ্ঞ মহলের। তালিবানের আগের কঠোর শাসনের স্মৃতি এখনও মানুষের মন থেকে মুছে যায়নি। আর সেই কারণেই দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করছেন তারা।

এদিন শুধু আমেরিকা নয় পঞ্জশির নিয়েও মুখ খোলেন তালিবান প্রবক্তা জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গোটা আফগানিস্তানের ৩৪ টি প্রদেশ দখল করে নিলেও পঞ্জশির এখনও দখলে আসেনি তালিবানদের। আমরুল্লাহ সালেহ এবং আহমেদ মাসুদ সেখানে রীতিমতো প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন। পরিষ্কার জানানো হয়েছে, তালিবান আক্রমণ করতে এলে তার জবাব দেবে মাসুদের প্রতিরোধ বাহিনী। আজ এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ বলেন, তালিবানরা পঞ্জশিরে শান্তিপূর্ণভাবে সমস্যার সমাধান করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

যদিও গত কয়েক ঘণ্টা আগেই কার্যত মাসুদ বাহিনীকে চার ঘণ্টার মধ্যে আত্মসমর্পণের হুঁশিয়ারি দিয়েছিল তালিবান। তবে এখন পথ বদলেছে তারা। সব মিলিয়ে পরিস্থিতি এই মুহূর্তে মারাত্মক জটিল আফগানিস্তানে। এমতাবস্তায় আমেরিকা কি সিদ্ধান্ত নেয় পঞ্জশির নিয়েই বা সিদ্ধান্ত ঠিক কি হয় সেদিকে নজর থাকবে সকলের।

সম্পর্কিত খবর

X