টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গরাজনীতি

সুখবর: আজ থেকেই বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যাবে রেশন সামগ্রী, চালু হচ্ছে ‘দুয়ারে রেশন’র ট্রায়াল

বাংলাহান্ট ডেস্কঃ অপেক্ষার অবসান, আজ থেকেই চালু হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) স্বপ্নের প্রকল্প ‘দুয়ারে রেশন (Duare Ration) প্রকল্প’। মাঝে এই বিষয়ে বেশকিছু সমস্যা হলেও, আজ থেকেই পাইলট প্রজেক্ট হিসাবেই শুরু হচ্ছে এই প্রকল্পের কাজ। বাড়ি বাড়ি রেশন পৌঁছানোর ট্রায়াল আজ থেকেই শুরু হচ্ছে।

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পূর্বে বাংলার মানুষকে দেওয়া একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতির মধ্যে ছিল এই দুয়ারে রেশন প্রকল্প। মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করলেও, এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে গিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করে ডিলারদের একাংশ। ডিলারদের দাবি ছিল, নেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে রেশন দেওয়ার পরিকাঠামো, আর রেশন পৌঁছানোর জন্য গাড়ি, প্রচার এবং সংরক্ষণের খরচ বহন করা তাঁদের পক্ষে সম্ভব নয়।

তবে বর্তমানে সেসব সমস্যাকে পাশে রেখে আজ থেকেই চালু হচ্ছে দুয়ারে রেশনের ট্রায়াল। এবিষয়ে খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ জানান, ‘সরকার তো আর এই বিষয়ে কোন মামলা করেনি, দুজন করেছিলেন। তাই আজ তিন হাজারের কিছু বেশি কিছু দোকানে ট্রায়াল চলবে। প্রায় ৩১০০ জন ডিলাররা যাবেন বাড়ি বাড়ি। তবে পরে তাঁদের সঙ্গে কথা বলে দেখা হবে কি সমস্যা হচ্ছে’।

তবে বাড়ি বাড়ি রেশন দেওয়া নিয়ে কিছু সমস্যা হওয়ার বিষয়ে রেশন ডিলার ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বিশ্বম্ভর বসু জানান, ‘৩-৪ লক্ষ টাকা খরচ করে গাড়ি কেনা আমাদের পক্ষে সম্ভব না, আর ব্যাঙ্ক থেকেও অর্থ ধার নিতে পারব না’। পাশাপাশি ডিলার সংগঠনের দাবি, মাসে মাসে গাড়ির চালকের খরচ ১২০০০ টাকা, সহকারীর জন্যে ১০০০০, রক্ষণাবেক্ষণ খাতে ২০০০, জ্বালানী ২৫০০, গ্যারাজ খরচ ১৫০০ টাকা, বিমা বাবদ ১০০০, ইএমআই ১২৬০০ টাকা, রোড ট্যাক্স ৬০ টাকা এবং দূ্ষণ রোধে ২০ টাকা- অতিরিক্ত মোট ৪১৬৮০ টাকা খরচ হবে।

তবে এবিষয়ে রথীন ঘোষ জানিয়েছেন, ‘আগে কাজ শুরু হোক, তারপর দেখা যাবে কোথায় কি সমস্যা হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকার গতিধারা প্রকল্পের আওতায় গাড়ি কেনার জন্য ডিলারদের ১ লক্ষ টাকা দেওয়া হছে। বাকি টাকা দিয়ে গাড়ি কিনে শুধুমাত্র রেশন বিলিই নয়, নিজের ব্যক্তিগত কাজেও তো ব্যবহার করতে পারবেন ডিলাররা’।

Related Articles

Back to top button