স্মার্টফোন তৈরিতে চিনের চেয়ে এগিয়ে এই ভারতীয় কোম্পানি! সাহায্য করেছে আমেরিকাকেও

   

বাংলা হান্ট ডেস্ক: মাত্র কয়েক বছরেই স্মার্টফোনের (Smartphones) বাজারে দ্রুত উন্নতি করেছে চিন (China)। কিন্তু এখন ভারতও (India) এই প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে নেই। ভারতে চিনা স্মার্টফোন বিক্রি হলেও, ভারতে উৎপাদনের ক্ষেত্রে একতরফা রাজ রয়েছে। শুধুমাত্র একটি ভারতীয় কোম্পানি এই পুরো বাজার নিয়ন্ত্রণ করে। এই কোম্পানির নাম হল Dixon।

এমতাবস্থায়, বর্তমান প্রতিবেদনে আজ আমরা এই প্রসঙ্গে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপিত করব। পাশাপাশি, আপনাদের এটাও বলব যে, কিভাবে এই কোম্পানি একা হাতে সমগ্র স্মার্টফোন ম্যানুফ্যাকচারিং বাজার দখল করেছে। উল্লেখ্য যে, Dixon টেকনোলজি সম্প্রতি ভারত সরকারের PLI স্কিম থেকে উপকৃত হয়েছে।

This Indian company is ahead of China in making smartphones.

কিভাবে শুরু হল: ১৯৯৩ সালে সুনীল ভাচানি শুরু করেছিলেন Dixon। প্রথম দিকে তাঁর কোম্পানি শুধু রঙিন টিভি তৈরি করত। পরে কোম্পানিটি আরও বিভিন্ন ক্ষেত্রে উৎপাদন প্রসারিত করতে শুরু করে এবং ক্রমশ এয়ার কন্ডিশনার, মাইক্রোওয়েভ ওভেন এবং ডিভিডি প্লেয়ার তৈরিতে কাজ শুরু করে। এদিকে যখন এই কোম্পানিটি চিনা কোম্পানির জন্য স্মার্টফোন তৈরি শুরু করে তখন সবার নজর আসে Dixon-এর দিকে।

আরও পড়ুন: এক বন্ধুর জন্য আরেক বন্ধুকে ত্যাগ করছে পাকিস্তান? ফের বড় সঙ্কট ডেকে আনছে পড়শি দেশ

এদিকে, ২০১৮ সালে Dixon Xiomi-র সাথে একটি অংশীদারিত্বে প্রবেশ করে এবং কোম্পানির জন্য LED টিভি তৈরি করা শুরু করে। বাজারে ভিন্ন পরিচিতি পেয়েছে এসব টিভি। এমতাবস্থায়, এখন Dixon Infinix, Tecno, iTel থেকে শুরু করে Samsung-এর মতো ব্র্যান্ডের জন্যও স্মার্টফোন তৈরি করেছে। এছাড়াও Dixon Xiaomi, Motorola এবং Jio-এর জন্য স্মার্টফোন তৈরি করেছে।

আরও পড়ুন: ২০৪৭ সালের মধ্যে GDP হবে ৩৫ ট্রিলিয়ন! এই ৮ টি রাজ্যই ভারতকে পৌঁছে দেবে উন্নতির শিখরে

কোম্পানির প্ল্যান্ট নয়ডায়: জানিয়ে রাখি যে, নয়ডায় কোম্পানির একটি বড় ম্যানুফ্যাকচারিং প্ল্যান্ট রয়েছে। পাশাপাশি, এই কোম্পানির ভারতে ৪ টি প্ল্যান্ট থেকে ৩০ মিলিয়ন স্মার্টফোন এবং ৫০ মিলিয়ন ফিচার ফোনের ক্যাপাসিটি রয়েছে। এই কোম্পানিটি Motorola-র স্মার্টফোন তৈরি করে এবং আমেরিকাতে সরবরাহ করে। শুধু তাই নয়, Dixon আরও একাধিক উন্নত দেশে স্মার্টফোন রপ্তানি করেছে। এর পাশাপাশি, কোম্পানিটি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে তাদের অফিসও স্থাপন করেছে।

Sayak Panda
Sayak Panda

সায়ক পন্ডা, মেদিনীপুর কলেজ (অটোনমাস) থেকে মাস কমিউনিকেশন এবং সাংবাদিকতার পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোর্স করার পর শুরু নিয়মিত লেখালেখি। ২ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলা হান্ট-এর কনটেন্ট রাইটার হিসেবে নিযুক্ত।

সম্পর্কিত খবর