এবার ঢেলে সাজানো হচ্ছে রাজ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ রেল স্টেশনটিকে! খরচ হবে ৪৯৬ কোটি টাকা

Published On:

বাংলা হান্ট ডেস্ক: বর্তমান সময়ে রাজ্য তথা দেশজুড়ে একের পর এক স্টেশনকে রীতিমতো ঢেলে সাজাচ্ছে রেল (Indian Railways)। মূলত, ট্রেনের ক্রমবর্ধমান যাত্রীদের কথা মাথায় রেখে এবং যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যের দিকে গুরুত্ব দিয়ে অত্যাধুনিকভাবে সংস্কার করা হচ্ছে স্টেশনগুলিকে। সেই রেশ বজায় রেখেই এবার পাল্টে যেতে চলেছে রাজ্যের আরও একটি স্টেশনের ভোল। এই প্রসঙ্গে জানা গিয়েছে যে, এবার নবরূপে সজ্জিত হতে চলেছে আসানসোল রেল স্টেশনটি (Asanasol Station)।.

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, আসানসোল রেল স্টেশন হল পশ্চিমবঙ্গ এবং পূর্ব রেলওয়ের প্রথম স্টেশন যেটিকে বিশ্বমানের এবং বিমানবন্দরের মত করে অত্যাধুনিক ভাবে সংস্কার করা হবে। ভারতীয় রেল এই কাজের জন্য ৪৯৬ কোটি টাকা মঞ্জুর করেছে। ইতিমধ্যেই এই সংক্রান্ত কাজ শুরু করেছে রেল। পাশাপাশি, সংস্কারের পরে আসানসোল স্টেশনটি কেমন দেখতে হবে, সেই সংক্রান্ত দু’টি ছবিও প্রকাশ করা হয় রেলের তরফে।.

এই প্রসঙ্গে পূর্ব রেলের নির্মাণ বিভাগের প্রধান ইঞ্জিনিয়ার আশিস ভরদ্বাজ জানিয়েছেন যে, রেল বিশ্বমানের আধুনিকীকরণের জন্য আসানসোল স্টেশনের ড্রইং এবং ইঞ্জিনিয়ারিং বা প্রযুক্তিগত বিষয়ে পরিবর্তনগুলিকে অনুমোদন করেছে। জানা গিয়েছে, এই স্টেশনের আধুনিকীকরণ ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি, তিনি আরও বলেন, আসানসোল ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গে পূর্ব রেলের তিনটি রেল স্টেশন, হাওড়া, ব্যান্ডেল এবং কলকাতা ও বিহারের ভাগলপুর এবং ঝাড়খণ্ডের জসিডি স্টেশনের প্রসঙ্গে ইতিমধ্যেই পাঁচটি ভিন্ন কোম্পানি ড্রইং এবং আর্কিটেকচার সংক্রান্ত কাজ করছে। দ্রুত এটি সম্পন্ন করা হবে। তবে, কলকাতার ক্ষেত্রে আরও কিছুটা সময় লাগবে। তারপর সেগুলি অনুমোদনের জন্য রেলওয়ে বোর্ডে পাঠানো হবে এবং সেখান থেকে অনুমোদন পাওয়ার পর কাজের জন্য টেন্ডার জারি করা হবে। তিনি জানান যে, হাওড়া স্টেশনের জন্য ১,০০০ কোটি টাকার সম্ভাব্য ব্যয় অনুমান করা হয়েছে।

whatsapp image 2023 04 04 at 2.57.00 pm

এছাড়াও জসিডি, ব্যান্ডেল, ভাগলপুর এবং কলকাতার ক্ষেত্রে ৩০০ থেকে ৪০০ কোটি টাকা খরচ করার প্রাথমিক পরিকল্পনা রয়েছে। এই স্টেশনগুলির বেশিরভাগই সম্পূর্ণ শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হবে। পাশাপাশি আধুনিক লিফট সিস্টেম, স্টেশনগুলির পৃথক এন্ট্রান্স এবং এক্সিট পয়েন্ট, শপিং মল, ক্যাফেটেরিয়া, আলাদা পার্কিংয়ের আধুনিক ব্যবস্থা, এটিএম, চিকিৎসা সংক্রান্ত সুবিধা ইত্যাদি উপলব্ধ থাকবে। পাশাপাশি, এই স্টেশনগুলির কাজও ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

Sayak Panda

সায়ক পন্ডা, মেদিনীপুর কলেজ (অটোনমাস) থেকে মাস কমিউনিকেশন এবং সাংবাদিকতার পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কোর্স করার পর শুরু নিয়মিত লেখালেখি। ২ বছরেরও বেশি সময় ধরে বাংলা হান্ট-এর কনটেন্ট রাইটার হিসেবে নিযুক্ত।

সম্পর্কিত খবর

X