দশক পেরিয়েও উজ্জ্বল ‘জল নূপুর’, অপরাজিতার ‘পারি পাগলী’ই অনুপ্রেরণা এই নায়িকার

Last Updated:

বাংলাহান্ট ডেস্ক : বাংলা টেলিভিশনের জনপ্রিয় চরিত্রগুলির তালিকায় অবধারিত ভাবে থাকবে অপরাজিতা আঢ্য অভিনীত পারি ওরফে ‘পারি পাগলী’র নাম। সেই ২০১৩ সালে ‘জল নূপুর’ সিরিয়ালে (Serial) বিশেষ ভাবে সক্ষম যুবতীর চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। তারপর থেকে একাধিক সিরিয়ালে এসেছে বিশেষ ভাবে সক্ষম মানুষের চরিত্র। কারোর সঙ্গে তুলনা হয়েছে পারির, কেউ আবার নিজেই স্বীকার করেছেন, অপরাজিতার অভিনয় দেখেই অনুপ্রাণিত হয়েছেন।

অপরাজিতার চরিত্রটি অনুসরণ করেন এই সিরিয়ালের (Serial) অভিনেত্রী

সম্প্রতি সান বাংলা চ্যানেলে সম্প্রচারিত হচ্ছে ‘আকাশ কুসুম’ ধারাবাহিক। এই সিরিয়ালেও (Serial) রয়েছে মানসিক ভারসাম্যহীন এক চরিত্র, ‘সোহিনী’। এই চরিত্রে অভিনয় করে ইতিমধ্যেই দর্শকদের নজর কেড়েছেন রাজরানি দাস। চ্যালেঞ্জিং চরিত্রটি বেশ দক্ষতার সঙ্গে ফুটিয়ে তুলছেন তিনি। কিন্তু অভিনয়ের সময় কাকে অনুসরণ করেন তিনি?

This serial actress is inspired by aparajita adhya pari character

পারি চরিত্রকে দেখেই সাজিয়েছেন সোহিনীকে: রাজরানি বলেন, চরিত্রটি তাঁর কাছে খুবই চ্যালেঞ্জিং। তবে এই চরিত্রে (Serial) অভিনয়ের সময় অপরাজিতা আঢ্য অভিনীত ‘পারি’ চরিত্রটির ম্যানারিজম তিনি মাথায় রাখেন বলে জানান। পারি অনেকটা সাহায্য করে ঠিকই, তবে সোহিনীকে নিজের মতো করেই সাজিয়ে তুলছেন রাজরানি।

আরো পড়ুন : মুখ দেখাদেখি বন্ধ নায়ক নায়িকার, দু বছর পর হিরো বদলে যাচ্ছে জি এর সিরিয়ালে!

সোহিনীর ব্যাকগ্রাউন্ড কী: চরিত্রটি সম্পর্কে বলতে গিয়ে অভিনেত্রী জানান, একটি গ্রামের বেশ সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ে ছিল সোহিনী। কিন্তু হঠাৎই তার জীবনে নেমে আসে অন্ধকার। তার বাবার মৃত্যু হয়। সঙ্গে এমন কিছু দুর্ঘটনা ঘটে যে মানসিক ভারসাম্য হারায় সে। একটি পুতুল সে সবসময় নিজের কাছে রেখে দেয়। তাকে নিজের বাবা মনে করে সোহিনী।

আরো পড়ুন : ‘আপনার মেয়ে…’, বাবার কাছে হঠাৎ ফোন, যা পরিণতি হল ‘ডান্স বাংলা ডান্স’ প্রতিযোগীর…

রাজরানি জানান, আকাশ কুসুম সিরিয়ালের (Serial) মূল গল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠতে চলেছে এই চরিত্র। যদিও এ বিষয়ে বেশি কিছু বলতে নারাজ অভিনেত্রী। আগামীতে সোহিনীর ভাগ্যে কী লেখা আছে তার উত্তর দেবে সময়।

Niranjana Nag

নীরাজনা নাগ, বাংলা হান্টের কনটেন্ট রাইটার। নারুলা ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি থেকে স্নাতক পাশ করার পর সাংবাদিকতার সফর শুরু। বিগত ৫ বছর ধরে সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত।

সম্পর্কিত খবর

X