টাইমলাইনভারতভাইরাল

বেতন কয়েক হাজার টাকা অথচ সাধারণ নামতাই জানেন না সরকারি স্কুলের শিক্ষিকা, ভাইরাল ভিডিও

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ছেলেবেলা থেকেই আমরা জানি শিক্ষক শিক্ষিকারাই হলেন সমাজ গড়ার মূল কারিগর। শিক্ষকদের হাত ধরেই জীবনে চলার পথের প্রাথমিক শিক্ষা পেয়ে থাকি। বাবা এবং মা-এর পর শিক্ষক শিক্ষিকারা হলেন জীবনের সবচেয়ে বড় পথ প্রদর্শক। জীবনে চলার পথে বেশিরভাগ মানুষই একসময় বুঝতে পারেন যে এগিয়ে যাওয়ার পথে তাদের অবদান কতটা। জীবনের প্রথম চ্যালেঞ্জ অর্থাৎ স্কুলের গণ্ডি আমরা তাদের হাত ধরেই পেরিয়ে আসি এবং তারপর জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, জীবিকা নির্বাহের পথ বেছে নেওয়ার আগে অবধি যাবতীয় বাধা বিপত্তিতে আমাদের পাশে থাকেন কোনও না কোনও শিক্ষক।

সাধারণত এই মানুষগুলোর স্থান আমাদের জীবনে মা বাবার ঠিক পরেই। আমাদের মানসিক চরিত্রগঠন থেকে শুরু করে আমাদের শিক্ষাগ্রহণে আগ্রহী করে তোলা, এই সমস্ত কাজই যত্ন সহকারে করে থাকেন অধিকাংশ শিক্ষক-শিক্ষিকা। জীবনের বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সঠিক পথ নির্বাচনে তাদের শিক্ষা আমাদের সহয়তা করে থাকে। তাই আমাদের প্রত্যেকে শিক্ষক-শিক্ষিকাই আমাদের কাছে খুবই শ্রদ্ধেয়। তার সাথে সাথে প্রতি শিক্ষিক শিক্ষিকার দায়িত্ব হলো তাকে তার ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতি সৎ থাকার।

কিন্তু এখন প্রশ্ন হল যদি কোনও শিক্ষক বা শিক্ষিকারই গোড়ায় গলদ থেকে যায়, সেক্ষেত্রে তার ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যত কি হবে? সম্প্রতি সামনে এসেছে এমনই এক ঘটনা। বর্তমান যুগে সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে যে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সেই ভিডিও। সেই ভিডিওটি দেখে শিক্ষিত নেটিজেনদের চোখ উঠেছে কপালে। যদিও ভিডিওটি অনেক পুরনো, তবুও শিক্ষিকার শিক্ষা নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলে দিচ্ছে এই ভিডিও।

বিশ্রী সেই ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের একটি সরকারি স্কুলে, যা সেখানকার সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে তুলে ধরেছে সকলের সামনে। সেখানের এক প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষিকাকে কেন্দ্র করে ঘটেছে ঘটনাটি। সামান্য ৮-এর ঘরের নামতা বলতে গিয়ে বার বার হোঁচট খেতে দেখা গিয়েছে ওই শিক্ষিকা-কে। অথচ প্রতি মাসের শেষে হাজার হাজার টাকা মাইনে পেয়ে যাচ্ছেন সেই শিক্ষিকা। অথচ বাচ্চাদের সঠিক শিক্ষা দিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ তিনি। অথচ সেই বিষয় নিয়ে একেবারেই লজ্জা পেতে দেখা যায়নি তাকে। স্বাভাবিকভাবেই ঘটনাটি দেখে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন নেটিজেনরা। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে নুন্যতম যোগ্যতা না থাকলেও কিভাবে স্কুল শিক্ষিকার পদে বসার সুযোগ পেয়েছেন তিনি।

Related Articles

Back to top button