বঙ্গে ভোটে জিততে নয়া চাল বিজেপির! তৃণমূলের পথে হেঁটেই ঘুঁটি সাজাল পদ্মশিবির

বাংলা হান্ট ডেস্ক : লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election) প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে। তারপরেও বঙ্গ বিজেপির (Bhartiya Janta Party) অন্দরে আদি-নব্য কোন্দলে ইতি পড়েনি। যদিও কেন্দ্রীয় সরকারের প্রস্তুতিতে কোনও ভাটা পড়েনি‌। দিনকয়েক আগেই বিজেপি সুপ্রিমো নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) জানিয়েছেন আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে গেরুয়া শিবিরের টার্গেট থাকবে ৩৫০। সেখানে বাংলার কী খবর?

   

সূত্রের খবর, মোদী যেমন ৩৫০ এর টার্গেট বেঁধে দিয়েছেন তেমন বাংলাতেও অমিত শাহ ৩৫টি আসনের টার্গেট বেঁধে দিয়েছেন। আর সেই লক্ষ্যপূরণে এবার পেশাদার সংস্থার হাত ধরছে বিজেপি। এর আগেও একুশের বিধানসভা নির্বাচনে আসন ধরে রাখতে প্রশান্ত কিশোরের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল সরকার। সফলও হয়েছিল তারা‌। উল্টোদিকে প্রায় জেতা ম্যাচ হারতে হয়েছিল বঙ্গ বিজেপিকে।

আর এবার সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে পুরোপুরি পেশাদার সংস্থার সাহায্য নিতে চলেছে গেরুয়া শিবির। সূত্রের খবর, ভোট বৈতরণী পার করতে এবার ভোটকুশলী সংস্থা জার্ভিস টেকনোলজি অ্যান্ড কনসাল্টিং প্রাইভেট লিমিটেডের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে সমীক্ষার কাজ। যদিও বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব এই বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ।

আরও পড়ুন : বড়দিনে বড় দুর্ঘটনা, ফের দুর্ঘটনার কবলে ‘ভারতীয় রেল’, লাইনচ্যুত আজমেঢ়-শিয়ালদহ এক্সপ্রেস

এই প্রসঙ্গে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, প্রতিটি দলেরই তাদের নিজের নিজের স্ট্র্যাটেজি থাকে। আর তা একান্তই দলীয় ব্যাপার। শোনা যাচ্ছে, মুম্বাই ভিত্তিক এই সংস্থার কাজ হবে বাংলার বিভিন্ন জেলায় গিয়ে মানুষের মনের খবর বের করে আনা এবং সেই পরিসংখ্যানকে গেরুয়া শিবিরের হাতে তুলে দেওয়া। সেই সাথে কোন এলাকায় কোন বিষয়ের উপর জোর দিতে হবে সেই পরামর্শও দেবে এই সংস্থা।

আরও পড়ুন : জোটের মুখ হওয়ার দৌড়ে নেই মমতার নাম! কত নম্বরে বাংলার নেত্রী? লিস্ট দেখে মাথায় হাত তৃণমূলের

modi mamata 1200x768

কোন এলাকার জন্য কোন প্রার্থী উপযুক্ত, কাকে টিকিট দিলে পদ্মশিবির উপকৃত হবে সেই খবরও খুঁজে বার করবে এই সংস্থা। মোদী সরকারের কোন কোন প্রকল্পে মানুষ খুশি আর কোন কোন প্রকল্পের উপর আরও কাজ করতে হবে তার সবটাই খতিয়ে দেখবে এই সংস্থা। সেই সাথে কোন এলাকার মানুষের কী প্রয়োজন সেটাও খতিয়ে দেখবে এই সংস্থা। কেন্দ্র এবং এই সংস্থার চুক্তির বিষয়টা তদারকি করার দায়িত্ব রয়েছে সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসলের কাঁধে। সংস্থার তরফে বিষয়টা তদারকি করবেন সংস্থার কর্তা দিগ্‌গজ মোগরা।

সম্পর্কিত খবর