রাজ্যকে তিন সপ্তাহের ডেডলাইন! জনস্বার্থ মামলায় বড় নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ফের শিরোনামে নীল-সাদা রঙ। তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাংলায় (West Bengal) সমস্ত সরকারি অফিসের রং নীল-সাদা (Blue White Colour) করা হয়েছে। একই ভাবে নীল-সাদা রঙ করা হয়েছে ট্রাফিক গার্ডের গার্ডওয়ালেও। এই নিয়েই রাজ্যের সর্বোচ্চ আদালতে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়েরের আবেদন জমা পড়েছিল। এবার সেই মামলাতেই রাজ্যের কাছে হলফনামা তলব করল হাইকোর্ট (Calcutta High Court)।

আর কী বলল হাইকোর্ট? Calcutta High Court

হাইকোর্টের নির্দেশ, তিন সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা জমা দিতে হবে রাজ্যকে। বৃহস্পতিবার মামলাটি উঠেছিল প্রধান বিচারপতির বেঞ্চে। সেখানেই বড় নির্দেশ। মামলাকারীর অভিযোগ ছিল, সড়কগুলি চালকদের নিরাপদস্থল বিজ্ঞান সম্মতভাবে বিশেষ কিছু রং বেছে নেওয়া হয়।

মামলাকারীর যুক্তি, ইন্ডিয়ান রোড কংগ্রেসে এই রং নিয়ে নির্দিষ্ট গাইউলাইন ও সুপারিশ রয়েছে। সেই সুপারিশ মেনেই রাস্তা মার্কিংয়ের জন্য হলুদ, সাদা, কালো ইত্যাদি বিভিন্ন রং ব্যবহার করে দেশের সব রাজ্য। মামলাকারীর অভিযোগ, সব রাজ্য এ নিয়ম মানে। রাজ্যেরও জাতীয় সড়কগুলিতে এই নিয়ম মানা হয়। তবে রাজ্যসড়কগুলির ক্ষেত্রে মানা হয়না। এখানের রাস্তায় নীল, সাদা রঙে সড়ক মার্কিং করা হয়েছে। যার কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই।

পাল্টা রাজ্যের তরফে অ্যাডভোকেট জেনারেল বলেন, ইন্ডিয়ান রোড কংগ্রেসের সুপারিশ মানতেই হবে এমন কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। এই বিষয়ে রাজ্য হলফনামা দিতে চায় বলেও জানান তিনি। এরপরই রাজ্যকে সময় দেয় হাইকোর্ট। তিন সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি।

Calcutta High Court

আরও পড়ুন: ‘লাইসেন্স আছে?’, ১৩ মার্চ পর্যন্ত কড়া ডেডলাইন! বিরাট নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের, কোন মামলায়?

এখানে উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে এই সংক্রান্ত মামলাতেই চিফ জাস্টিস কটাক্ষ করে বলেন, ‘আমাদের আর নতুন করে কিছু বলার নেই। কলকাতা হাইকোর্টে নতুন যে চেয়ারগুলো দেওয়া হল, সেগুলো এতটাই নিম্নমানের যে সেগুলো বসতে গিয়ে বহু আইনজীবী অতীতে পড়ে গিয়েছেন!’ তিনি আরও বলেন, “ভাগ্যিস জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চ কলকাতা হাইকোর্টের নজরদারিতে হচ্ছিল, না হলে তো ওখানেও আপনারা নীল-সাদা রঙ করে দিতেন!”

Sharmi Dhar
Sharmi Dhar

শর্মি ধর, বাংলা হান্ট এর রাজনৈতিক কনটেন্ট রাইটার। উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতকোত্তর। বিগত ৩ বছর ধরে সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত ।

সম্পর্কিত খবর