খেলাটাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গরাজনীতি

বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী কে হতে চলেছেন- সৌরভ নাকি শুভেন্দু? উত্তর দিলেন অমিত শাহ

বাংলাহান্ট ডেস্কঃ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly) নাকি শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)? উত্তরে অমিত শাহ বললেন, ‘এখনও ৬ মাস বাকি, একটু অপেক্ষা করুন। ২ টো নামের মধ্যেই থেমে যাবেন না, লিস্ট অনেক লম্বা’। একুশের নির্বাচনে বিজেপির (Bharatiya Janata Party) মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী কে হচ্ছেন এই নিয়ে শুধুমাত্র আমজনতা নয়, দলের অন্দরেও উত্তেজনা তুঙ্গে।

বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন
কাউকে সামনে রেখে এগিয়ে যাওয়া হবে, নাকি জয়লাভের পর কাউকে নির্বাচন করা হবে-  সেবিষয়ে এখনও কিছু জানায়নি গেরুয়া শিবির। তবে এই মুখ্যমন্ত্রীর পদপ্রার্থীদের তালিকায় দুটো নাম বহুবার উঠে এসেছে- প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক তথা বর্তমান BCCI এর সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এবং তৃণমূল নেতা তথা রাজ্যের সেচ ও পরবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নিউটাউনের পাঁচতারা হোটেলে শুক্রবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে- শুধুমাত্র দুজন নয়, তালিকা অনেক লম্বা বলে জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

জল্পনা বাড়ছে শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে
বিগত বেশ কয়েকদিন ধরে শুভেন্দু অধিকারীর আচরণ নিয়ে সবুজ শিবিরে জল্পনা চলছে। দলীয় কর্মসূচীতে না থেকে, দলকে না জানিয়েই নানান জনসভায় অংশ নিচ্ছেন তিনি। অনেকেরই ধারণা তবে কি এবার বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী? একথা অনেকেই জানেন, বাংলায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর পর জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাই তিনি যদি একবার বিজেপিতে যোগদান করেন, তাহলে বিরাট সংখ্যক তৃণমূল সদস্য যে সবুজ বাহিনী ছেড়ে গেরুয়া বাহিনীর পাল্লা ভারী করবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

বিজেপিতে যোগ দেবেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়?
সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় BCCI এর সভাপতি হিসাবে নির্বাচিত হওয়ার পরই জল্পনা উঠেছিল তিনি এবার বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন। কারণ, তাঁর এই সাফল্যের চাবিকাঠি ছিল নাকি অমিত শাহের হাতে। আবার এদিকে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ক্ষমতায় রয়েছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এবং জয় শাহ, যিনি অমিত শাহের পুত্র। কিন্তু জনসাধারণের মনে ধারণা থাকলেও, ২২ গজের প্রাক্তন অধিনায়ক সর্বদাই জানিয়ে গেছেন, ‘আমি কোন রাজনৈতিক হলের সঙ্গে যুক্ত হতে আগ্রহী নই’।

বাংলায় মমতা সরকারের পতন অবধারিত!
মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনের বিষয়ে অমিত শাহ জানিয়েছেন, ‘এই বিগত ৫-৬ বছরে বহু জায়গায় আগে থাকতে মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন ছাড়াই ভোটে জিতেছে বিজেপি। বাংলার মানুষ তো কংগ্রেস, সিপিএম, এমনকি তৃণমূলকেও সুযোগ দিয়েছেন, তাই বলব একবার বিজেপিকেও (Bharatiya Janata Party) একটা সুযোগ দিন। লোকসভা নির্বাচনের আগে বলেছিলাম বাংলায় ২০ টি আসন পাব। তবে আমরা কিন্তু ১৮ টা আসন পেয়েছি। এবার আমারা হাসব, বাংলায় মমতা সরকারের পতন অবধারিত’।

Back to top button