টাইমলাইনপশ্চিমবঙ্গরাজনীতি

পুরভোটে বিজেপির হয়ে প্রার্থী হওয়ার জন্য জমা পড়লো দেড় হাজার বায়োডাটা, অবাক রাজনীতি মহল

নতুন-পুরনো মিলিয়ে চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতেই এখন হিমশিম খেতে হচ্ছে বিজেপি নেতৃত্বকে। তাই শুক্রবার পরিস্থিতি সামলাতে দলের শীর্ষনেতৃত্ব জানিয়ে দিল, সেই সমীক্ষা রিপোর্টের পরই চূড়ান্ত হবে নাম। পেশাদারি সংস্থাকে দিয়ে সমীক্ষার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত হবে প্রার্থীর নাম। এদিকে, সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় রয়েছে গেরুয়া শিবিরে যোগ দেওয়া একাধিক সেলিব্রিটির নামও। র নাম সেই তালিকায় রয়েছে। তাঁদের থেকেও প্রার্থী হওয়ার জন্য ‘বায়োডেটা’ নেওয়া হয়েছে।

সামনেই পুরভোট আর তার জন্য জোরকদমে চলছে প্রস্তুতি। বাংলা কার দখলে যাবে সেই নিয়ে চলছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।  বিজেপি না তৃণমূল বাংলা কার রঙ্গে মাতবে সেই নিয়ে চলছে জবরদস্ত প্রস্তুতি। বলা যেতে পারে গেরুয়া না সবুজ আবির ছাপাবে বাংলাকে সেই নিয়ে চলছে প্রস্তুতি। একদিকে বিজেপির তালিকায় রউয়েছে হেভি ওয়েট সব নাম আবার অন্য দিকে সবুজ শিবির কম যায় না।ইতিমধ্যেই রাজ্যে দুই দলের মধ্যে দফায় দফায় চলছে প্রস্তুতি। আবার দুই দল শুরু করে দিয়েছে ব্যপক প্রচার। দুই দলের তালিকায় জুড়ে গেছে অনেক নতুন নাম।কিন্তু শুরু থেকেই কেন জানিনা বিজেপি পুরভোটকে পাখির চোখ করে রেখেছে। আর সেই জিনিসের ওপর নির্ভর করে তারা প্রচার চালাচ্ছেন এবার বাংলার ক্ষমতায় আসবে বিজেপি।বাংলার বিজেপির সভাপতি  দিলীপ ঘোষ এদিন দাবি করেন যে বাংলায় ‘বুদ্ধিজীবীদের মুখোশ খুলতে কেউ এগিয় আসেননি। আমি করেছি। আমি কঠিন সত্যিটা বলতে ভয় পাই না।’ উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতা এবং দক্ষিণ শহরতলি সাংগঠনিক জেলা এবং সরাসরি রাজ্য দপ্তরে প্রার্থী হওয়ার জন্য প্রায় দেড় হাজার জন ‘বায়োডেটা’ জমা পড়েছে বিজেপি দলের। আর তার চক্করে হিমশিম পরিস্থিতি বিজেপি দলের।

কিন্তু দলের প্রার্থী কাকে করা হবে সেই নিয়ে আবার ওয়ার্ডভিত্তিক সমীক্ষা হচ্ছে। কারন পুরো কাজটাই একটা নিয়ম ভিত্তিক করা প্রয়োজন। নাহলে সব গোলমাল হয়ে যেতে পারে। কিছুদিন আগেই তারা জানিয়েছেন, সিনেমা জগতের অনেকেই এবার বিজেপিতে যোগ দেবেন। আর তৃণমূল থেকেও অনেকে এই দলে যোগ দেবেন। গত বিধানসভা নির্বাচনের সময় থেকে বিজেপিতে যোগ দেওয়া টলিউডের বেশ কয়েকজন সেলিব্রিটি এই তালিকায় আছেন এখন তাদের নাম আর বায়োডেটা দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি  দিলীপ বাবু কিছুদিন আগেই বলেন “ ২০১৫ সালে আমাদের ৩০ শতাংশের কম কমিটি ছিল ৭৮০০ পোলিং বুথের প্রেক্ষিতে। এখন ৮০ শতাংশ বুথকে কেন্দ্র করে কমিটি রয়েছে। গত ৫ বছরে ৩৫০ জন কর্মী বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে সম্পূর্ণ সময় বিজেপিকে দিচ্ছেন।

 

Back to top button