লোকসভার আগে জোর ধাক্কা তৃণমূলে! কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর হাত ধরে ৫০০ সংখ্যালঘু বিজেপিতে

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন (Loksabha Election)। বর্তমানে পায়ের তলার জমি শক্ত করতে মরিয়া শাসক থেকে বিরোধী সকল রাজনৈতিক দল। এই আবহেই এবার তৃণমূল ও সিপিএমের (TMC-CPM) সংখ্যালঘু ভোটে থাবা বসাল বিজেপি (BJP)। রবিবার বনগাঁয় তৃণমূল-সিপিএম মিলিয়ে মোট ৫০০ কর্মী-সমর্থক নাম লেখালেন বিজেপিতে।

   

শনিবার স্বরূপনগরের হাকিমপুর এলাকায় এক পথসভার আয়োজন করে বিজেপি সাংগঠনিক জেলার সংখ্যালঘু সেল। সেই পথসভার শেষেই মোট ৫০০ জন বাম ও তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী তথা বনগাঁ লোকসভার সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের (Shantanu Thakur) হাত ধরে বিজেপিতে যোগদান করেন।

বিজেপির দাবি, এই ৫০০ জনই তৃণমূল ও সিপিএম করতেন। গেরুয়া শিবিরের আরও দাবি, যারা এদিন যোগদান করেছেন তারা সকলেই সংখ্যালঘু। সূত্রের খবর, এদের মধ্যে এলাকার একাধিক হেভিওয়েট সংখ্যালঘু নেতাও রয়েছেন। এদিন শান্তনু ঠাকুরের পাশাপাশি ওই কর্মসূচীতে বনগাঁ বিজেপি সংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক রিপন বিশ্বাস-সহ দলের বহু কর্মী-সমর্থকেরাও উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: মমতার মেয়াদ কত দিন? কবে অভিষেক বসবেন মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে? সাল ধরে জানিয়ে দিলেন কুণাল

লোকসভা ভোটের আগে সংখ্যালঘু গোষ্ঠীর এত জন একজোটে বিজেপিতে যোগদান যে গেরুয়া শিবিরকে বাড়তি অক্সিজেন যোগাবে সেই নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। এই বিষয়ে কেন্দ্রের মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর বলেন, ‘মানুষের মতিভ্রম কেটেছে। তাই এখন তারা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করছেন।’

bjp tmc

ওদিকে, এই বিষয়ে পাল্টা বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি রমেন সর্দার বলেন, ‘হাকিমপুর সীমান্ত এলাকায় বিজেপির কোনও সংগঠন নেই। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে যারা বিজেপি করেছিল তারাই নাকি ফের বিজেপিতে যোগ দিয়েছে। এমনটাই আমি শুনেছি।’ অন্যদিকে বিজেপিতে যোগ দিয়ে স্থানীয় সংখ্যালঘু মানুষদের দাবি, তাদের ভুল বুঝিয়ে তৃণমূল ও সিপিএম তাদের দলে আটকে রেখেছিল।