অনলাইন হাজিরা বাধ্যতামূলক, কর্মীদের নিয়মে বাঁধতে নয়া অ্যাপ চালু হচ্ছে পুরসভায়

Published on:

Published on:

Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক : এসআইআর আবহে এবার হাজিরা নিয়ে কড়াকড়ি শুরু হল কলকাতা পুরসভায় (Kolkata Municipal Corporation)। এবার থেকে পুরসভার সব কর্মীদের হাজিরা অনলাইনে নথিভুক্ত করা বাধ্যতামূলক হতে চলেছে বলে খবর। রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরের অধীন স্টেট আরবান ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি একটি অ্যাপও তৈরি করেছে এ বিষয়ে। এই অ্যাপের মাধ্যমেই প্রতিদিন অফিসে এসে জিয়ো ট্যাগিং করে প্রত্যেক পুরকর্মী ও আধিকারিককে উপস্থিতি জানাতে হবে।

পুরসভার (Kolkata Municipal Corporation) কর্মীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা

সম্প্রতি রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভার আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করে সুডা। সেখানেই এই নতুন ব্যবস্থার কথা জানানো হয়েছে। জানা যাচ্ছে, অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে প্রত্যেক কর্মীর সুনির্দিষ্ট তথ্য আগে থেকেই অ্যাপে প্রবেশ করাতে হবে। তারপর অনলাইনে আপলোড করতে হবে তথ্য। ইতিমধ্যে রাজ্যের সমস্ত কর্মী এবং আধিকারিকদের তথ্য সংগ্রহ করা শুরু হয়ে গিয়েছে।

New app for online attendance for Kolkata Municipal Corporation employees

হাজিরা নিয়ে কড়াকড়ি: উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে কলকাতা পুরসভা, বিধাননগর পুরসভা সহ বেশ কয়েকটি পুরসভায় নিজস্ব উদ্যোগে অনলাইনে হাজিরা নেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। তবে রাজ্যের সমস্ত পুরসভা (Kolkata Municipal Corporation) মিলিয়ে এককেন্দ্রিক হাজিরা নথিভুক্তকরণ চালু হতে চলেছে এই প্রথম বার।

আরও পড়ুন : কংগ্রেসের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন, ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত তৃণমূলের

দীর্ঘদিন ধরেই ছিল অভিযোগ: জানা যাচ্ছে, পুরসভার সমস্ত স্তরের কর্মী, সরকারি আধিকারিকদের সবাইকেই এই অ্যাপের মাধ্যমেই হাজিরা দিতে হবে। এই নতুন ব্যবস্থার ফলে কোনও কর্মীদের কারোর পক্ষেই বাড়ি থেকে বা অন্য কোথাও বসে হাজিরা দেওয়া সম্ভব হবে না। বিভিন্ন পুরসভাতেই কর্মীদের উপস্থিতি, যখন ইচ্ছা কাজে যোগ দেওয়া বা বেরিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠছিল। বহু অনিয়ম ধরা পড়েছে বিভিন্ন জায়গায়। দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ পাওয়ার পরেই পুরসভাগুলিতে অনলাইন হাজিরার ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন : ‘এই তো সবে শুরু…’, ভুয়ো ভোটার ধরতে বড় পদক্ষেপ, কমিশনের উদ্যোগকে সাধুবাদ শুভেন্দুর

এই নতুন অ্যাপ চালু হওয়ার পর প্রতি কর্মীর অবস্থান জিয়ো ট্যাগিং এর মাধ্যমে যাচাই করা সম্ভব হবে। এর ফলে একদিকে যেমন কর্মীদের হাজিরায় স্বচ্ছতা আসবে, তেমনি কাজে গতি আনবে বলেও মনে করা হচ্ছে।