বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার সুদূর অ্যামাজনের এক অদ্ভুত প্রকৃতির উদ্ভিদের দেখা মিলল ঝাড়গ্রামে (Jhargram)। জানা যায় ঝাড়গ্রাম জেলার সাঁকরাইলের ফিতা করা এলাকায় এই মাংসাশী উদ্ভিদের মতন এক রহস্যময়ী প্রজাতির দেখা পাওয়া গিয়েছে। যার ফলে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়। পাশাপাশি এটি সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয়দের মধ্যেও তৈরি হয়েছে যথেষ্ট উদ্বেগ।
ঝাড়গ্ৰামে আমাজন-ধাঁচের মাংসাশী উদ্ভিদ মিলল (Jhargram)
ফের আরো একবার আতঙ্ক ফিরলো জঙ্গলমহলে। এবার শোনা যাচ্ছে ঝাড়গ্রাম (Jhargram) এলাকায় দেখা পাওয়া গিয়েছে মাংসাশী উদ্ভিদের। আর এমন খবর বর্তমানে সমাজ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে। যার ফলে সাধারণ মানুষদের মধ্যে একটি চাপানো উত্তর সৃষ্টি হয়েছে। যদিও এর আগে গত বছর, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর সংলগ্ন জঙ্গলের পর এবার গড়বেতার জঙ্গলে এই মাংসাশী উদ্ভিদের হদিশ পাওয়া গেল।

আরও পড়ুন: প্রবীণদের জন্য বড় সুবিধা! Uber চালু করল সহজ ক্যাব বুকিংয়ের নতুন ফিচার
এই উদ্ভিদটি দেখতে ছোট লাল কমলা বর্ণের। মূলত পাথরের জলা জায়গায় এই উদ্ভিদ গুলোর জন্ম হচ্ছে। যার ফলে এর রং যেমন উজ্জ্বল তেমন পোকামাকড়দের বেশ আকৃষ্ট করছে।তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন এই উদ্ভিদের একাধিক প্রজন্ম রয়েছে। উদ্ভিদ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্ভিদকে মাংসাশী বললে খুব একটি ভুল হবে না। কারণ এই বিশেষ প্রজাতির উদ্ভিদ মূলত ছোট পোকামাকড়কে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে।
যদিও এর আগে এমনই এক বিশেষ প্রজাতের উদ্ভিদ সূর্যশিশের বা সানডিও দেখা গিয়েছিল। আফ্রিকান প্রজাতির এই উদ্ভিদ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একাধিক জঙ্গল লাগোয়া এলাকায় বহুকাল আগের থেকেই রয়েছে। যদিও সেটি মাংসাশী নয়। অথবা সাধারণ মানুষ কিংবা অন্য কোন বন্যপ্রাণীর ক্ষতি করে না।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উদ্ভিদগুলো মূলত পাথরের এলাকায় জন্ম নেয়। তবে এই উদ্ভিদগুলোকে দেখে ভয় পেতে বারণ করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে এই উদ্ভিদগুলো মানুষ কিংবা বড় বড় কোন প্রাণীর ক্ষতি করে না। শুধুমাত্র পোকামাকড় কে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে বলে এই উদ্ভিদগুলোকে মাংসাশী উদ্ভিদ বলা হয়।












