বাংলা হান্ট ডেস্ক: ট্রেনে করে আমরা সকলেই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাতায়াত করি। পাশাপাশি দূরে যাত্রার জন্য এখন ট্রেনের ওপরই ভরসা করে ভারতের অধিকাংশ মানুষ। কারণ এখন আবার অত্যাধুনিক প্রযুক্তির উচ্চগতি ট্রেন এসে গিয়েছে। কিন্তু জানেন কি দূরপাল্লার ট্রেনের কেন নীল, মেরুন, সবুজ রং হয়। এছাড়া ট্রেনের রংবাজ এর ক্ষেত্রে যেমন ইচ্ছে তেমন নীতিও কিন্তু চলে না। এর পিছনেই রয়েছে নেপথ্য কিছু কারণ। যা আজকে প্রতিবেদনে বলা হল।
ট্রেনের রঙেই লুকোনো তথ্য, জানেন মানে? (Indian Railways)
প্রত্যেকটি রংয়ের পিছনেই রয়েছে নেপথ থেকে কিছু কারণ। এক একটি রঙের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ভারতীয় রেলের ইতিহাস ও তার বিবর্তনের কাহিনী (Indian Railways)। পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম রেল নেটওয়ার্ক রয়েছে ভারতে। তাই দূরপাল্লার ট্রেনে যাতায়াত করার আগে ভিন্ন ভিন্ন রংয়ের অর্থ জেনে নেওয়া উচিত।

আরও পড়ুন: পুরসভার জলেই মরণফাঁদ! বিষক্রিয়ায় প্রাণ গেল ৭ জনের, গুরুতর অসুস্থ শতাধিক মানুষ
দূরপাল্লার ট্রেনের ক্ষেত্রে সব থেকে বেশি যে রং চোখে পড়ে তা হলো নীল। বিশেষ করে স্লিপার ক্লাস এবং জেনারেল কচির ক্ষেত্রে এই রং ব্যবহার করা হয়। রেলের আধুনিকরণে প্রতীক হিসাবে এবং মেরুর রং এর পরিবর্তনের শুরু হয় নীল রঙের ব্যবহার। এছাড়াও, নন এয়ার কন্ডিশনার ট্রেনে মূলত নীল রং চোখে পড়ে। সাশ্রই যাত্রী এবং সহজলভ্যতা বোঝাতে এই রং ব্যবহার করা হয়।
পুরনো এবং হেরিটেজ রুটে এখনো মেরুন রং এর ট্রেন চলে। মেরুন রং এর মাধ্যমে ঐতিহ্য ও নস্টালজিয়া তুলে ধরা হয়। তাছাড়া ভারতের রেল যাত্রার সূচনার প্রতীক এই মেরুন রং।
আর গরিবের রথ এবং অন্যান্য বেশ কিছু দূরপাল্লার ট্রেনের রং সবুজ করা হয়। সস্তার শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কামড়ার যাত্রা করা হয় এইসব ট্রেনে চেপে। তাছাড়া অর্থনীতি ও সহজলভ্যতা বোঝাতে এই রং বেছে নেওয়া হয়। তাছাড়াও, বেশ কিছু দূরপাল্লার ট্রেনের রং আবার লাল বা ইঁটরঙাও হয়। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত, AC Chair, AC Sleeper ট্রেন এগুলি। লাল রংয়ের মাধ্য়মে আরাম, লাক্সারিও ফুটিয়ে তোলা হয়। এই সব ট্রেনের অন্দরসজ্জাও তুলনামূলক ভাল হয় (Indian Railways)।












