নতুন বছরে কবে থেকে বাড়তে চলেছে পান মশলা-বিড়ি-সিগারেটের দাম? জানিয়ে দিল কেন্দ্র

Published on:

Published on:

From when the bidis, and cigarette price will increase in the new year?
Follow

বাংলাহান্ট ডেস্ক: নতুন বছরের শুরুতেই তামাকজাত (Cigarette Price) পণ্যের দামে ব্যাপক বৃদ্ধি হতে চলেছে। কেন্দ্রীয় সরকার বুধবার বিজ্ঞপ্তি জারি করে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে সিগারেট, গুটখা, পানমশলা, মদ ও কোল্ড ড্রিঙ্কের উপর নতুন জিএসটি কাঠামো ও অতিরিক্ত শুল্ক কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই ‘পাপ পণ্যগুলিকে’ জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকারক চিহ্নিত করে সর্বোচ্চ করের আওতায় আনা হয়েছে।

নতুন বছরের শুরুতেই দাম বাড়তে চলেছে তামাকজাত (Cigarette Price) পণ্যের:

গত ডিসেম্বরে সংসদে পাশ হওয়া দুটি বিলের ভিত্তিতে এই কর কাঠামো প্রণয়ন করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, এসব পণ্যের উপর ৪০ শতাংশ জিএসটি আরোপ করা হবে, যার সঙ্গে যুক্ত হবে ‘হেলথ অ্যান্ড ন্যাশনাল সিকিউরিটি সেস’ এবং অতিরিক্ত এক্সাইজ ডিউটি। এর ফলে মোট করের বোঝা আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে।

আরও পড়ুন:জামাকাপড় ধুয়েই খুলল ভাগ্য! ১০০ কোটির সাম্রাজ্য গড়লেন অরুণাভ, চমকে দেবে সাফল্যের কাহিনি

এতদিন তামাকজাত পণ্যে ২৮ শতাংশ জিএসটির পাশাপাশি ক্ষতিপূরণ সেস মিলিয়ে মোট করের হার ছিল প্রায় ৫৩ শতাংশ। কিন্তু নতুন ব্যবস্থায় তিন স্তরের কর যুক্ত হওয়ায় সিগারেট ও গুটখার দাম অনেক ক্ষেত্রে দ্বিগুণ পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন। তবে বিড়ির ক্ষেত্রে কিছুটা রেহাই দেওয়া হয়েছে, যেখানে জিএসটি হার ১৮ শতাংশ রাখা হয়েছে বলে এর দাম বৃদ্ধির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম হবে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো ভারতেও জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও রাজস্ব বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে এই ধরনের পণ্যের উপর উচ্চ কর আরোপ করা হচ্ছে। যদিও তামাক শিল্প সরকারি রাজস্বের প্রায় ৩ শতাংশ যোগান দেয় এবং লক্ষাধিক মানুষের কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত, তবুও জনস্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে কেন্দ্রের দাবি।

From when will the prices of bidis, and cigarette price increase in the new year?

আরও পড়ুন:বাংলার রেল মানচিত্রে নতুন পালক, প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার পেতে চলেছে রাজ্য, কবে থেকে চালু?

এই কর বৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়বে বাজার দরে, যা সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে হোটেল, রেস্তোরাঁ ও খুচরা বিক্রেতাদের উপর চাপ সৃষ্টি করবে। সরকারের লক্ষ্য তামাক ও মদ্যপানের ব্যবহার কমানো হলেও, এই সিদ্ধান্ত অর্থনীতিতে কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশ্লেষকদের মত। সামগ্রিকভাবে, ১ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর এই নতুন শুল্ক কাঠামো জনস্বাস্থ্য নীতি ও রাজস্ব সংগ্রহের ক্ষেত্রে একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।