বাংলা হান্ট ডেস্কঃ আর মাত্র কয়েক দিনের অপেক্ষা। সামনেই মাধ্যমিক পরীক্ষা (Madhyamik Exam)। ঠিক সেই সময়েই রাজ্যে পুরোদমে চলছে ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনের কাজ বা SIR। দুই গুরুত্বপূর্ণ কাজ একসঙ্গে পড়ে যাওয়ায় যাতে মাধ্যমিক পরীক্ষায় কোনও সমস্যা না হয়, সে কথা মাথায় রেখে নির্বাচন কমিশনের কাছে বিশেষ আবেদন করল রাজ্য।
কবে থেকে শুরু মাধ্যমিক (Madhyamik Exam)?
আগামী ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যে মাধ্যমিক পরীক্ষা (Madhyamik Exam) চলবে। রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ফলে পরীক্ষার গার্ডের দায়িত্বে থাকা শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়মিত স্কুলে উপস্থিত থাকতে হবে। মাধ্যমিক ছাত্রছাত্রীদের জীবনের প্রথম বোর্ড পরীক্ষা হওয়ায় এই সময়ে কোনও রকম অসুবিধা বা গাফিলতি যেন না হয়, তা নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
এদিকে রাজ্যে এই মুহূর্তে চলছে ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধনের কাজ, অর্থাৎ SIR। এই কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন রাজ্যের প্রায় সব স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা। তাঁরা বর্তমানে বুথ লেভেল অফিসার বা BLO হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা। ফলে SIR সংক্রান্ত কাজের চাপও এখন তুঙ্গে।
এই দুই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব একসঙ্গে সামলাতে গিয়ে যাতে স্কুলগুলি সমস্যায় না পড়ে, সেই আশঙ্কা থেকেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে লিখিত ভাবে আবেদন জানিয়েছে। আবেদনে বলা হয়েছে, মাধ্যমিক পরীক্ষার (Madhyamik Exam) সময় অর্থাৎ ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মূলত যাঁরা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা, তাঁদের যেন সাময়িক ভাবে SIR-এর কাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
বর্তমানে রাজ্যে মোট ৮০ হাজার ৬৮১ জন BLO কাজ করছেন। তবে এই সংখ্যার মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকার সংখ্যা শতাংশের হিসেবে খুবই কম। বেশির ভাগ BLO প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক। তাই এই সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হলেও ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজে বড় কোনও সমস্যা হবে না বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

আরও পড়ুনঃ নির্দেশ অমান্য? সরাসরি অ্যাকশন, BLO-দের কড়া হুঁশিয়ারি কমিশনের
একদিকে ভোটার তালিকার কাজ যেমন গুরুত্বপূর্ণ, অন্যদিকে মাধ্যমিক পরীক্ষাও (Madhyamik Exam) ছাত্রছাত্রীদের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায়। দুইয়ের ভারসাম্য বজায় রাখতেই কমিশনের কাছে এই আবেদন করেছে রাজ্য। এখন নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে শিক্ষা ও প্রশাসনিক মহল।












