বাংলা হান্ট ডেস্ক: বালোচিস্তানের নেতা মীর ইয়ার বালোচ সরাসরি ভারতকে (India) সমর্থন করেছেন। শুধু তাই নয়, ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্করকে লেখা এক চিঠিতে তিনি পাকিস্তান সম্পর্কে অভ্যন্তরীণ তথ্যও প্রদান করেছেন। বালোচ নেতা তাঁর চিঠিতে পাকিস্তান ও চিনের পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন।
ভারতের (India) বিদেশমন্ত্রীকে খোলা চিঠি বালোচ নেতার:
বালোচিস্তান থেকে ভারতকে চিঠি: মির ইয়ার বালোচ, ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্করকে লেখা একটি চিঠিতে দাবি করেছেন যে, চিন অদূর ভবিষ্যতে পাকিস্তানে তার সেনা মোতায়েন করতে পারে। ইসলামাবাদ এবং বেইজিংয়ের মধ্যে চলমান এই অংশীদারিত্বকে ভারতের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে বর্ণনা করেছেন তিনি। ভারতের বিদেশমন্ত্রীকে লেখা ওই চিঠিটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-এও শেয়ার করেছেন বালোচ নেতা।
Open letter to Honorable Foreign Minister of #Bharat Shri @DrSJaishankar ji
From,
Baloch Representative,
Republic of Balochistan
State.
The Honorable Dr. S. Jaishankar,
Minister of External Affairs,
Government of Bharat,
South Block, Raisina Hill,
New Delhi – 110011January… https://t.co/WdjaACsG2V pic.twitter.com/IOEusbUsOB
— Mir Yar Baloch (@miryar_baloch) January 1, 2026
পাকিস্তানকে উৎখাত করুন: মীর ইয়ার বালোচ জয়শঙ্করকে লিখেছেন যে, ‘গত ৭৯ বছর ধরে বালোচিস্তানের জনগণ সন্ত্রাসবাদ এবং গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বালোচিস্তানের জনগণের জন্য স্থায়ী শান্তি ও সার্বভৌমত্ব নিশ্চিত করার জন্য এই গুরুতর সমস্যাটি নির্মূল করার সময় এসেছে।’
আরও পড়ুন: টিম ইন্ডিয়ায় নতুন কোচ! দায়িত্ব নেবেন ইংল্যান্ডের এই অভিজ্ঞ খেলোয়াড়
বালোচিস্তানে চিনা সেনা মোতায়েন করা হবে: মীর ইয়ার বালোচ আরও লিখেছেন যে, বালোচিস্তান প্রজাতন্ত্র পাকিস্তান ও চিনের মধ্যে ক্রমবর্ধমান কৌশলগত জোটকে অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে মনে করে। আমরা সতর্ক করে দিচ্ছি যে, চিন, পাকিস্তানের সহযোগিতায়, চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর (CPEC) চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে এসেছে।’ তিনি দাবি করেন যে, ‘যদি না বালোচ প্রতিরোধ ও প্রতিরক্ষা বাহিনীকে শক্তিশালী করা হয় এবং বালোচ জনগণকে গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া হয়, তাহলে ভবিষ্যতে চিনা সেনাবাহিনী শীঘ্রই এই অঞ্চলে দেখা যেতে পারে।’
আরও পড়ুন: ভারত কিংবা লন্ডনে নয়, পরিবারের সঙ্গে কোথায় নতুন বছর উদযাপন করলেন কোহলি?
পাকিস্তান ও চিন এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করছে: এদিকে, CPEC-র অধীনে সামরিক সম্প্রসারণের এই ধরণের অভিযোগ বারবার অস্বীকার করেছে পাকিস্তান ও চিন। তারা জানিয়েছে যে, এই প্রকল্পটি অর্থনৈতিক প্রকৃতির। তবে, ভারত ধারাবাহিকভাবে CPEC-র বিরোধিতা করে আসছে। ভারত দাবি করছে যে ,এটি পাকিস্তান-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের মধ্য দিয়ে যায়। যা নিরাপত্তার উদ্বেগ বাড়িয়েছে।












