ঋণ নিয়ে চলছে দেশ! অথচ ভারতকে টক্কর দিতে আটারি-ওয়াঘা সীমান্তে যা করল ‘কাঙাল’ পাকিস্তান

Published on:

Published on:

What did Pakistan do on the Attari-Wagah border?
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্ক: এবার একটি অত্যন্ত বড় আপডেট সামনে এসেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী জানা গিয়েছে যে, পাকিস্তান (Pakistan) এবার আটারি-ওয়াঘা সীমান্তে একটি প্রকল্প সম্পন্ন করেছে। এই প্রকল্পের লক্ষ্য ভারতকে টক্কর দেওয়া। আসলে, পাকিস্তান ওয়াঘা সীমান্তে নির্মিত নতুন এরিনার সম্প্রসারণ করেছে। পাকিস্তান ও ভারত সীমান্তে অবস্থিত নবনির্মিত এই স্টেডিয়ামটি নতুন বছরের শুরুতেই অর্থাৎ গত ১ লা জানুয়ারি উদ্বোধন করা হয়। পাকিস্তানের পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ শরীফ এটি উদ্বোধন করেন। বর্তমানে ওই স্টেডিয়ামে ৭,৫০০ দর্শকের পরিবর্তে ২৫,০০০ দর্শক বসতে পারেন।

আটারি-ওয়াঘা সীমান্তে এরিনার উদ্বোধন পাকিস্তানের (Pakistan):

পাকিস্তান কেবল এই এরিনাটি সম্প্রসারণই করেনি, বরং ওয়াঘা জয়েন্ট চেকপোস্টে বেশ কয়েকটি নতুন সুযোগ-সুবিধাও তৈরি করেছে। যার মধ্যে রয়েছে একটি থিম পার্ক। যেখানে উপমহাদেশের বিভাজনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে একটি রেল স্টেশনের মডেল, সামরিক সরঞ্জাম এবং শহিদদের স্মৃতিস্তম্ভও রয়েছে। এরিনার ভেতরে একটি পাকিস্তান মিউজিয়ামও নির্মিত হয়েছে। যেটি ওই দেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে উপস্থাপিত করেছে এই প্রকল্পটি স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত তুলে ধরা হয়েছে। এদিকে, পাকিস্তান এই প্রকল্পে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করেছে।

What did Pakistan do on the Attari-Wagah border?

কত টাকা খরচ হয়েছে: আটারি-ওয়াঘা সীমান্তে ভারতের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার জন্য পাকিস্তান উল্লেখযোগ্য পরিমাণ টাকা খরচ করেছে। প্রকল্পটি ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে শুরু হয়েছিল। সেই সময়, অনুমান করা হয়েছিল যে প্রকল্পটির ব্যয় হবে ৩ বিলিয়ন পাকিস্তানি রুপি। ভারতীয় মুদ্রায় যা ৯৬.৫ কোটি টাকা। সেই সময়ে, প্রকল্পটি সম্পন্ন করার সময়সীমা ছিল ২০২৫ সালের ডিসেম্বর। পাকিস্তান ও সময়সীমার মধ্যেই প্রকল্পটি সম্পন্ন করেছে।

আরও পড়ুন: ফের যুদ্ধের আবহ! ভেনেজুয়েলায় হামলা আমেরিকার, কীভাবে প্রভাবিত হবে ভারত?

পাকিস্তানের অর্থনীতি ঋণের ওপর নির্ভরশীল: বর্তমান সময়ে পাকিস্তানের অর্থনীতি রীতিমতো ঋণের ওপর নির্ভরশীল। ওই দেশে কখনও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল তথা IMF থেকে ঋণ পায়, আবার কখনও তারা বিশ্বব্যঙ্কের ঋণের ওপর নির্ভর করে।

আরও পড়ুন: গায়ে পেট্রোল ঢেলে লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন, চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাংলাদেশে মৃত্যু খোকনচন্দ্র দাসের

কয়েকদিন আগে, বিশ্বব্যাঙ্ক পাকিস্তানকে ৭০০ মিলিয়ন ডলারের (প্রায় ৬,২৭০ হাজার কোটি টাকা) নতুন আর্থিক সহায়তা অনুমোদন করেছে। এই অর্থ পাকিস্তানের অর্থনীতি স্থিতিশীল করা এবং সরকারি পরিষেবা উন্নত করার লক্ষ্যে একটি বৃহত্তর কর্মসূচির অংশ। এদিকে IMF- সম্প্রতি পাকিস্তানকে ৭ বিলিয়ন ডলারের ফান্ড অনুমোদন করেছে।