বাংলা হান্ট ডেস্ক: সামনে আসছে মকর সংক্রান্তি। এই সংক্রান্তি উপলক্ষে প্রতি বছর রাজ্যের এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কয়েক লক্ষ পুণ্যার্থী ভিড় জমায় গঙ্গাসাগরের (Ganga Sagar) পূণ্য ভূমিতে। ২০২৬ সালের মকর সংক্রান্তির পূর্ণ স্নানের সময় ১৪ জানুয়ারির দুপুর ১:১৯ মিনিট থেকে ১৫ জানুয়ারি বেলা ১:১৯ পর্যন্ত। এই বছর গঙ্গাসাগর মেলায় প্রায় দেড় কোটির বেশি পুণ্যার্থীর সমাগমের আশা করা হচ্ছে। আর এই কথা কপিল মুনি আশ্রমের প্রধান পুরোহিত স্বামী জ্ঞানদাস মহারাজের উত্তরসূরী মোহন্ত সঞ্জয় দাস জানান।
গঙ্গাসাগরে রেকর্ড পুণ্যার্থীর সম্ভাবনা,কবে পুণ্যস্নান জানুন (Ganga Sagar)
তার মতে, এই বছর কুম্ভ মেলা না হওয়ায় গঙ্গা ও বঙ্গোপসাগরের সঙ্গমস্থলে অবস্থিত কপিলমুনি মন্দিরে সনাতনী হিন্দু সনাতনীদের ভিড় বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। পাশাপাশি তিনি আরও জানান, এই গঙ্গাসাগর (Ganga Sagar) মেলা উপলক্ষে এই বছর দেড় কোটি মানুষের সমাগম হতে পারে।

আরও পড়ুন: রেলের নতুন চমক! বন্দে ভারত স্লিপার কোচে মিলবে একাধিক হাই-টেক সুবিধা, খরচ কত জানুন?
এই পূণ্যস্নান ও গঙ্গাসাগর মেলা উপলক্ষ্যে মোহন্ত সঞ্জয় দাস মন্দিরের সামনে উপকূল ভাগের ভাঙ্গন রোধে কেন্দ্র সরকার ও হস্তক্ষেপও চাইলেন। বিশেষ করে তিনি উল্লেখ করেন, ভরা জোয়ারে মন্দিরটি জল থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরে থাকে। তার দাবি মন্দিরটি বাঁচাতে কেন্দ্র সরকারের আন্তরিকভাবে ভাঙ্গনের সমস্যার মোকাবিলা করতে হবে।
যদিও শতবছর ধরে এই দুটি মন্দির ইতিমধ্যে সমুদ্র গর্ভে বিলীন হয়েছে। এছাড়া বর্তমানে কপিলমুনি মন্দিরটি এই নিয়ে তৃতীয় বার নির্মাণ। যদিও এই মন্দিরের ভাঙন প্রতিরোধ করতে রাজ্য সরকারের পদক্ষেপের প্রশংসা করেন কপিল মুনি আশ্রমের প্রধান পুরোহিত স্বামী জ্ঞানদাস মহারাজের উত্তরসূরী মোহন্ত সঞ্জয় দাস।
তিনি আরও জানান, এই সাগরদ্বীপকে মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন করে মুড়িগঙ্গা নদীর ওপরে প্রস্তাবিত সেতুটি স্থানীয় বাসিন্দা ও পূর্ণ্যার্থীদের জন্য এক বিরাট আশীর্বাদ। এছাড়াও, ভগবান রাম যেমন রামেশ্বরকের লঙ্কার সঙ্গে যুক্ত করে রেখেছে তেমনি রাম সেতু তৈরি করার ফলে, গঙ্গাসাগরে পুণ্যার্থীদের সুবিধা আরও অনেকটা বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে (Ganga Sagar)।












