বাংলাহান্ট ডেস্ক : এসআইআর (SIR) হিয়ারিং নিয়ে আমজনতার জিজ্ঞাসার অন্ত নেই। আমজনতা থেকে তারকারাও পাচ্ছেন শুনানির ডাক। এমতাবস্থায় জীবিকা বা শিক্ষাগত কারণে বাড়ির বাইরে যারা থাকেন তারা পড়েছিলেন মহা চিন্তায়। তবে নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন তাঁরা। গত ৮ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের চিফ ইলেক্টোরাল অফিসারের দপ্তর থেকে জারি করা হয়েছে তিনটি পৃথক নোটিশ।
এসআইআর (SIR) শুনানিতে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক নয়
কমিশনের তরফে যে নতুন নির্দেশিকা জারি হয়েছে তাতে বলা হয়েছে, কয়েকটি বিশেষ ক্ষেত্রে ভোটারদের সশরীরে শুনানিতে উপস্থিত থাকার বাধ্যবাধকতা কিছুটা শিথিল করা হয়েছে। জানা যাচ্ছে, যারা রাজ্যের বাইরে বা দেশের বাইরে রয়েছেন তাদের জন্যই দেওয়া হয়েছে এই ছাড়। কারা পাবেন এই সুবিধা?

কারা পাবেন সুবিধা: নির্দেশিকা অনুযায়ী, রাজ্যের বাইরে কর্মরত সরকারি কর্মচারী, সেনা জওয়ান, পাবলিক সেক্টর আন্ডারটেকিং এর কর্মীরা পাবেন ছাড়। উচ্চশিক্ষার জন্য বা বেসরকারি সংস্থায় চাকরিসূত্রে যারা অন্য রাজ্যে রয়েছেন, কর্মসূত্রে, শিক্ষার প্রয়োজনে বিদেশে অবস্থানরত ব্যক্তিরা, অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি ব্যক্তিরাও পাবেন এই সুবিধা।
আরও পড়ুন : নামমাত্র খরচে ভ্রমণ, খাবার সঙ্গে বিনোদন, জানত থেকেই বিশেষ জয়রাইড শুরু টয়ট্রেনে
কী নিয়ম মানতে হবে: যারা সশরীরে উপস্থিত থাকতে পারবেন না তাদের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা রাখা হয়েছে হিয়ারিং এর জন্য। ভোটার যদি নিজে উপস্থিত থাকতে না পারেন, তবে তার পরিবারের কোনও সদস্য শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন প্রতিনিধি হিসেবে। এর জন্য প্রয়োজনীয় নিয়মাবলীও জানিয়ে দিয়েছে কমিশন। পরিবারের সদস্যকে ওই ভোটারের হয়ে নির্দিষ্ট নথিপত্র জমা করতে হবে। কমিশনের আগের নির্দেশিকা অনুযায়ী, যে ১৩ টি নথি গ্রাহ্য হবে তার মধ্যেই প্রয়োজনীয় প্রমাণ দেখাতে হবে।
আরও পড়ুন : ‘৭২ ঘন্টার মধ্যে….’, ডেডলাইন বেঁধে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে মানহানির নোটিস শুভেন্দুর
এছাড়াও যে সদস্য প্রতিনিধি হিসেবে যাচ্ছেন, তাকে মূল ভোটারের সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্কের বৈধ প্রমাণপত্র দেখাতে হবে। যারা বিদেশে রয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে পরিবারের সদস্যকে একটি অথরাইজেশন লেটার বা অনুমোদন পত্র সঙ্গে রাখতে হবে। রাজ্যের সমস্ত জেলা নির্বাচনী আধিকারিক, ইআরও এবং মাইক্রো অবজার্ভারদের কাছে পাঠানো হয়েছে এই নির্দেশিকা। তা অবিলম্বে কার্যকর করার কথাও বলা হয়ে পছে।












