বাংলা হান্ট ডেস্কঃ ভারতীয় রেলের (Indian Railways) জন্য নতুন যুগের সূচনা হতে চলেছে। বছরের শুরুতেই নরেন্দ্র মোদি ঘোষণা করেছেন পশ্চিমবঙ্গের জন্য একাধিক নতুন রেল উপহার দেবেন। সেই ঘোষণার সূত্র ধরেই এবার আগামী ১৭ জানুয়ারি মালদহ টাউন রেলওয়ে স্টেশন থেকে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এই ট্রেনটি হাওড়া থেকে অসমের গুয়াহাটি পর্যন্ত চলবে। রাতযাপনের সুবিধা থাকা এই স্লিপার বন্দে ভারত ট্রেনকে ঘিরে রেলযাত্রীদের মধ্যে যথেষ্ট আগ্রহ রয়েছে।
একাধিক নতুন ট্রেন (Indian Railways) উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
এরপর ১৮ জানুয়ারি আরও এক ধাপ এগিয়ে সিঙ্গুর থেকে একাধিক নতুন ট্রেনের (Indian Railways) উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। অর্থাৎ পরপর দু’দিন বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রেলের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে।
কোন কোন নতুন ট্রেন চালু হচ্ছে?
প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের তালিকায় রয়েছে একগুচ্ছ দূরপাল্লার ট্রেন। সেগুলি হল –
- আলিপুরদুয়ার–বেঙ্গালুরু অমৃত ভারত এক্সপ্রেস
- নিউ জলপাইগুড়ি–নাগেরকোইল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস
- নিউ জলপাইগুড়ি–তিরুচিরাপল্লী অমৃত ভারত এক্সপ্রেস
- রাধিকাপুর–বেঙ্গালুরু এক্সপ্রেস
- বালুরঘাট–বেঙ্গালুরু এক্সপ্রেস
- আলিপুরদুয়ার–পানভেল অমৃত ভারত এক্সপ্রেস
- সাঁতরাগাছি–তম্বরম অমৃত ভারত এক্সপ্রেস
- হাওড়া–কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার
- শিয়ালদহ–বারাণসী অমৃত ভারত এক্সপ্রেস
এছাড়াও বাঁকুড়া–ময়নাপুর মেমু ট্রেনটি দীর্ঘায়িত হয়ে এবার জয়রামবাটি পর্যন্ত যাবে।
দক্ষিণ ভারতের সঙ্গে যোগাযোগে জোর
চলতি বছরেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগেই রাজ্যে একাধিক নতুন ট্রেন চালু হওয়াকে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক, দু’দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই দক্ষিণ ভারতের সঙ্গে বাংলার সরাসরি রেল যোগাযোগ বাড়ানোর দাবি উঠছিল। এবার সেই দাবির বড় অংশ পূরণ হতে চলেছে। নিউ জলপাইগুড়ি, বালুরঘাটের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন থেকে সরাসরি বেঙ্গালুরু, তিরুচিরাপল্লীর মতো শহরে ট্রেন চালু হলে সাধারণ যাত্রীদের যাতায়াত অনেকটাই সহজ হবে বলেই মনে করছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)।

আরও পড়ুনঃ ফেব্রুয়ারিতেই বিজ্ঞপ্তি? কলেজে সহকারী অধ্যাপক নিয়োগে সবুজ সঙ্কেত কমিশনের
রেল (Indian Railways) কর্তৃপক্ষের মতে, নতুন ট্রেন চালু হলে ব্যবসা, পড়াশোনা ও চিকিৎসার জন্য দূরপাল্লার যাত্রা আরও স্বচ্ছন্দ হবে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের বহু এলাকার মানুষের জন্য এটি বড় সুবিধা এনে দেবে।












