I-PAC-এর গাড়িতে কেন সরকারি বোর্ড? মাঝরাস্তায় ধরা পড়ল সব, ভাইরাল ভিডিও-য় যা দেখা গেল…

Published on:

Published on:

I-PAC Car Row in Bengal
Follow

বাংলা হান্ট ডেস্কঃ গত কয়েক দিন ধরে আইপ্যাককে (I-PAC) ঘিরে রাজ্যে উত্তেজনা চরমে। আইপ্যাকের অফিস ও সংশ্লিষ্ট জায়গায় ইডির তল্লাশি নিয়ে চলছে রাজনৈতিক বাকবিতণ্ডা। এরই মধ্যে এবার আইপ্যাকের একটি গাড়িকে ঘিরে নতুন বিতর্ক সামনে এল।

আইপ্যাকের (I-PAC) গাড়ি ঘিরে নতুন বিতর্ক

শনিবার সন্ধ্যায় পুরনো জি টি রোডে একটি গাড়িকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। কংগ্রেসের অভিযোগ, ওই গাড়িটি আইপ্যাকের (I-PAC) এবং সেটি চালাচ্ছিল এক কম বয়সি তরুণ। গাড়িতে আবার ‘Government of West Bengal’ লেখা বোর্ড লাগানো ছিল। সেই গাড়ি দিয়ে এক কংগ্রেস নেতাকে ধাক্কা মারার চেষ্টা করা হয় বলে দাবি।

ঘটনাটি ঘটে শনিবার রাত সাড়ে সাতটার পর, পুরনো জি টি রোডের বড়নীলপুর মোড়ে। অভিযোগকারী গৌরব সমাদ্দার রাজ্য কংগ্রেস কমিটির সদস্য এবং জেলা আইএনটিইউসি’র সভাপতি। গৌরবের অভিযোগ, তিনি বাইকে যাচ্ছিলেন। সেই সময় সাদা রঙের একটি গাড়ি তার বাইকের দিকে ধাক্কা মারতে উদ্যত হয়। তিনি সঙ্গে সঙ্গে গাড়িটির সামনে দাঁড়িয়ে সেটি আটকান। এরপর গাড়ির পাশেই দাঁড়িয়ে গৌরব সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভ ভিডিও করতে শুরু করেন। ধীরে ধীরে ঘটনাস্থলে লোকজন জমতে থাকে। তিনি পুলিশে ফোন করে পুরো বিষয়টি জানান।

গৌরবের দাবি, গাড়িটি চালাচ্ছিলেন এক তরুণ, যার বয়স খুবই কম এবং সম্ভবত নাবালক। গাড়ির আরোহীরা তখন বলেন, তাঁরা আইপ্যাকের (I-PAC) লোক। তবে গাড়িতে কেন ‘Government of West Bengal’ লেখা সরকারি বোর্ড লাগানো ছিল, সে বিষয়ে তারা কোনও স্পষ্ট উত্তর দেননি। এরপর গৌরব পুরো ঘটনার কথা পুলিশকে জানান। পুলিশ গাড়ির ছবি তোলে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেয়। গৌরবের অভিযোগ পুলিশ গ্রহণ করেছে।

I-PAC Car Row in Bengal

আরও পড়ুনঃ উত্তরপাড়া কাণ্ডে বড় মোড়! কল্যাণের কাছে আর্জি জানিয়েও মিলল না রেহাই, জেল হেফাজতে তৃণমূল-ঘনিষ্ঠ যুবনেতা

এই ঘটনার ভিডিও ইতিমধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাটি নিয়ে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও শুরু হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সাধারণ সম্পাদক বাগবুল ইসলাম বলেন, “পুলিশে অভিযোগ হয়েছে। পুলিশ তদন্ত করবে।” অন্যদিকে বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র বলেন, “আইপ্যাকের (I-PAC) কর্মীরা সরকারি সম্পত্তিকে নিজের ভাবছে। কীভাবে আইপ্যাকের গাড়িতে সরকারের বোর্ড থাকতে পারে?” পুরো বিষয়টি এখন পুলিশের তদন্তের আওতায় রয়েছে।